ঢাকা ০৭:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

মৌলভীবাজারে তীব্র শীত, তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

দু দিন ধরে তীব্র শীত বিরাজ করছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল  ৯টায় শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন শনিবারও একই তাপমাত্রা বিরাজ করেছে। পাহাড়, হাওর, চা বাগানবেষ্টিত এলাকা মৌলভীবাজার জেলায় কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের সিনিয়র সহকারী আনিসুর রহমান বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা কম থাকলেও সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেছে। ঝলমলে রোদ উষ্ণতা ছড়িয়েছে। এর আগের দিন শনিবারও ছিল ১১ ডিগ্রি তাপমাত্রা।’

এদিকে, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও হাওর, পাহাড় ও চা-বাগান এলাকায় খুব বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষজন। বিশেষ করে, চা বাগানগুলোয় শীত বেশি থাকায় কাজ করতে বেগ পোহাতে হয় চা শ্রমিকদের।

ফিনলে কোম্পানির লাখাইছড়া চা বাগানের বাসিন্দা তপন বৈদ্য বলেন, ‘চা বাগানের শ্রমজীবী নারী-পুরুষরা শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড় ও কম্বলের অভাবে খুব কষ্টে দিনযাপন করছেন। চা বাগানের মানুষের খোঁজখবর প্রশাসনের কেউ রাখে না।’

ভাড়াউড়া চা বাগানের দুলাল হাজরা  বলেন, ‘সন্ধ্যাবেলা চা বাগানে প্রচণ্ড শীত পড়ে। আমাদের অনেক কষ্ট করে থাকতে হয়। সবার ঘরে চাহিদামতো গরম কাপড় নেই। এখন পর্যন্ত চা বাগানে শীতের কাপড় শীতবস্ত্র কেউ দেয়নি।’

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসলাম উদ্দিন জানান, বেসরকারি উদ্যোগে চা বাগান এলাকায় শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।  উপজেলা প্রশাসন থেকে পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত নিরসনে রাশিয়ার কড়া বার্তা: অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ও বেসামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান

মৌলভীবাজারে তীব্র শীত, তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি

আপডেট সময় : ১১:১৪:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

দু দিন ধরে তীব্র শীত বিরাজ করছে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে। রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল  ৯টায় শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এর আগের দিন শনিবারও একই তাপমাত্রা বিরাজ করেছে। পাহাড়, হাওর, চা বাগানবেষ্টিত এলাকা মৌলভীবাজার জেলায় কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণকেন্দ্রের সিনিয়র সহকারী আনিসুর রহমান বলেন, ‘শ্রীমঙ্গলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা কম থাকলেও সকাল থেকে সূর্যের দেখা মিলেছে। ঝলমলে রোদ উষ্ণতা ছড়িয়েছে। এর আগের দিন শনিবারও ছিল ১১ ডিগ্রি তাপমাত্রা।’

এদিকে, প্রতিদিন সন্ধ্যার পর শহরে তাপমাত্রা একটু বেশি থাকলেও হাওর, পাহাড় ও চা-বাগান এলাকায় খুব বেশি ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে। তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষজন। বিশেষ করে, চা বাগানগুলোয় শীত বেশি থাকায় কাজ করতে বেগ পোহাতে হয় চা শ্রমিকদের।

ফিনলে কোম্পানির লাখাইছড়া চা বাগানের বাসিন্দা তপন বৈদ্য বলেন, ‘চা বাগানের শ্রমজীবী নারী-পুরুষরা শীত নিবারণের জন্য গরম কাপড় ও কম্বলের অভাবে খুব কষ্টে দিনযাপন করছেন। চা বাগানের মানুষের খোঁজখবর প্রশাসনের কেউ রাখে না।’

ভাড়াউড়া চা বাগানের দুলাল হাজরা  বলেন, ‘সন্ধ্যাবেলা চা বাগানে প্রচণ্ড শীত পড়ে। আমাদের অনেক কষ্ট করে থাকতে হয়। সবার ঘরে চাহিদামতো গরম কাপড় নেই। এখন পর্যন্ত চা বাগানে শীতের কাপড় শীতবস্ত্র কেউ দেয়নি।’

শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসলাম উদ্দিন জানান, বেসরকারি উদ্যোগে চা বাগান এলাকায় শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করা হচ্ছে।  উপজেলা প্রশাসন থেকে পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হবে।