জাতীয় যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বলেছেন, ‘বিএনপি-জামায়াতকে আওয়ামী ভোটব্যাংকের রাজনীতি নয়, সীমান্ত হত্যা বন্ধের রাজনীতি করতে হবে।’
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পিটিয়ে দুই বাংলাদেশি হত্যাসহ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির আয়োজনে মশাল মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাজধানীর বাংলামোটরে জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে মিছিলটি বের হয়ে শেষ হয় শাহবাগ গিয়ে। যুবশক্তির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, সদস্যসচিব ডা. জাহেদুল ইসলাম ও মুখ্য সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেলের নেতৃত্বে মশাল মিছিলে যুবশক্তির কেন্দ্রীয় ও ঢাকা মহানগরী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মিছিল শেষে তারিকুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘সীমান্ত হত্যা বন্ধের রাজনীতি করতে হবে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশিদের পাখির মতো গুলি করে মেরেছে। স্বৈরাচার হাসিনা তার প্রতিবাদ করেনি। আমরা ফেলানীকে কাঁটাতারে ঝুলে থাকতে দেখেছি। তার বিচার আজও হয়নি।’ সীমান্ত হত্যা বন্ধ না হলে বাংলার জনগণ এর কড়া জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি।
সংগঠনটির সদস্যসচিব ডা. জাহেদুল ইসলাম বলেন, ‘ভারতীয় বাহিনী কর্তৃক প্রতিনিয়ত বাংলাদেশি হত্যার বিচার চেয়ে বাংলাদেশের উচিত আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা।’
মুখ্য সংগঠক ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল বলেন, ‘রাজনীতিকদের সীমান্ত হত্যা বন্ধের ব্যবস্থা করতে হবে। এতে ব্যর্থ হলে বাংলার সাধারণ জনগণ সীমান্ত হত্যা বন্ধের ব্যবস্থা করবে।’
রিপোর্টারের নাম 

























