ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

আবারও হামাসের বিরুদ্ধে অন্য মরদেহ হস্তান্তরের অভিযোগ ইসরায়েলের

হামাসের ফিরিয়ে দেওয়া দেহাবশেষ গাজায় ধরে নিয়ে যাওয়া কোনও জিম্মির নয় বলে অভিযোগ করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরাতে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে অক্টোবরে গাজা ও ইসরায়েলের মধ্যে কার্যকর যুদ্ধবিরতির শর্ত মোতাবেক ধাপে ধাপে জীবিত জিম্মি ও মৃতদের দেহাবশেষ হস্তান্তর করা হচ্ছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) তারা দুজনের দেহাবশেষ হস্তান্তর করে।

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, ফিরিয়ে দেওয়া মরদেহের “নমুনা” তারা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে।

পরিচয় শনাক্তকরণ জাতীয় ফরেনসিক মেডিসিন কেন্দ্রে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল গাজা উপত্যকা থেকে পরীক্ষার জন্য আনা নমুনাগুলো কোনও জিম্মির সঙ্গেই সম্পর্কিত নয়।

হামাসের মিত্র গোষ্ঠী ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের সশস্ত্র শাখা আল কুদস ব্রিগেড পরে জানায়, তারা রেড ক্রসের একটি দলের সঙ্গে গাজার উত্তরাঞ্চলে এক জিম্মির দেহ খুঁজছে।

অবশ্য তারা কার দেহ অনুসন্ধান করছে, তা প্রকাশ করেনি।

ইসরায়েল যাদের মরদেহ আশা করছিল, তারা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা রন গিভিলি এবং থাই নাগরিক সুদথিসাক রিন্থালাক, যারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় অপহৃত হন। ওই হামলার জবাবে ইসরায়েলি আগ্রাসন থেকেই দু’বছরের বিধ্বংসী যুদ্ধের সূত্রপাত করে।

জেনেভাভিত্তিক আন্তর্জাতিক রেড ক্রস যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠী ও ইসরায়েলের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে, যারা জীবিত জিম্মিদের মুক্তি এবং দেহাবশেষ হস্তান্তর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে।

সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান দ্বন্দ্বে মধ্যস্থতায় তেহরানে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান

আবারও হামাসের বিরুদ্ধে অন্য মরদেহ হস্তান্তরের অভিযোগ ইসরায়েলের

আপডেট সময় : ০৪:০৩:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

হামাসের ফিরিয়ে দেওয়া দেহাবশেষ গাজায় ধরে নিয়ে যাওয়া কোনও জিম্মির নয় বলে অভিযোগ করেছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বরাতে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে অক্টোবরে গাজা ও ইসরায়েলের মধ্যে কার্যকর যুদ্ধবিরতির শর্ত মোতাবেক ধাপে ধাপে জীবিত জিম্মি ও মৃতদের দেহাবশেষ হস্তান্তর করা হচ্ছে। সর্বশেষ মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) তারা দুজনের দেহাবশেষ হস্তান্তর করে।

ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, ফিরিয়ে দেওয়া মরদেহের “নমুনা” তারা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছে।

পরিচয় শনাক্তকরণ জাতীয় ফরেনসিক মেডিসিন কেন্দ্রে সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, গতকাল গাজা উপত্যকা থেকে পরীক্ষার জন্য আনা নমুনাগুলো কোনও জিম্মির সঙ্গেই সম্পর্কিত নয়।

হামাসের মিত্র গোষ্ঠী ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের সশস্ত্র শাখা আল কুদস ব্রিগেড পরে জানায়, তারা রেড ক্রসের একটি দলের সঙ্গে গাজার উত্তরাঞ্চলে এক জিম্মির দেহ খুঁজছে।

অবশ্য তারা কার দেহ অনুসন্ধান করছে, তা প্রকাশ করেনি।

ইসরায়েল যাদের মরদেহ আশা করছিল, তারা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা রন গিভিলি এবং থাই নাগরিক সুদথিসাক রিন্থালাক, যারা ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় অপহৃত হন। ওই হামলার জবাবে ইসরায়েলি আগ্রাসন থেকেই দু’বছরের বিধ্বংসী যুদ্ধের সূত্রপাত করে।

জেনেভাভিত্তিক আন্তর্জাতিক রেড ক্রস যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠী ও ইসরায়েলের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে, যারা জীবিত জিম্মিদের মুক্তি এবং দেহাবশেষ হস্তান্তর প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সহায়তা করছে।

সূত্র: রয়টার্স