পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, আফগানিস্তানের সীমান্তে পাকিস্তান অতিরিক্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করছে এবং প্রয়োজন হলে নিজের ভূখণ্ড, সার্বভৌমত্ব ও জনসাধারণকে রক্ষা করতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্বে টুইটার) এক পোস্টে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ইসলামাবাদ এই হামলাকে গুরুতর উসকানিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানের লক্ষ্য ছিল আফগান এলাকা থেকে পাকিস্তানে সক্রিয় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) ও বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)-র মতো দুষ্কৃতকারীদের তৎপরতা থামানো।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আফগান নাগরিকদের লক্ষ্য করে গৃহীত হয়নি এবং তারা আশা করছে তালেবান সরকার যেন উক্ত সন্ত্রাসী উপাদান ও তাদের অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি রোববার বলেছেন, পাকিস্তান তার সার্বভৌমত্ব নিয়ে কোনো আপস করবে না এবং তিনি কাবুলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন যেন আফগান ভূখণ্ড পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা না হয়।
প্রধানমন্ত্রী শহবাজ শরিফ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে বলেছেন, দেশের প্রতিরক্ষা নিয়ে কোনো আপস করা হবে না এবং প্রতিটি উসকানির উপযুক্ত ও কার্যকর জবাব দেওয়া হবে।
পাকিস্তানি নিরাপত্তা সূত্র বলছে, সীমান্ত সংঘাতের পর পরিস্থিতি বর্তমানে আংশিক শান্ত থাকলেও কুর্রম অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে গোলাগুলি চলছে।
এদিকে, সীমান্তে গোলাগুলির ঘটনার পর আফগানিস্তানের সঙ্গে সব প্রধান সীমান্ত পথ বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান। উল্লেখ্য, শনিবার (১১ অক্টোবর) গভীর রাতে আফগান সেনারা পাকিস্তানের সীমান্ত চৌকিতে গুলি চালিয়েছিল। আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, এটি ছিল সপ্তাহের শুরুর দিকে পাকিস্তানের বিমান হামলার প্রতিশোধ।
রিপোর্টারের নাম 




















