পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে মা কুকুরের অজ্ঞাতে জন্ম নেওয়া ৮টি ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নিতে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে এই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম এ নোটিশ পাঠিয়েছেন।
নোটিশে সংযুক্ত করা পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদ চত্বরে মা কুকুরের অজ্ঞাতে জন্ম নেওয়া ৮টি ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ক্ষুদ্র কৃষক ফাউন্ডেশনের এক কর্মকর্তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। নৃশংস ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ফেসবুকজুড়ে চলছে নিন্দা, সমালোচনা আর দোষীর কঠোর শাস্তির দাবি।
স্থানীয়সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরের আবাসিক এলাকায় গেজেটেড ভবনে থাকা এক মা কুকুর সম্প্রতি আটটি ছানা প্রসব করে। গত ৩০ নভেম্বর সন্ধ্যার পর হঠাৎ ছানাগুলোকে খুঁজে না পেয়ে মা কুকুরটি এদিক-ওদিক ছুটোছুটি করতে থাকে, পাশাপাশি প্রচণ্ড চিৎকার করতে থাকে। সারা রাত তাকে আবাসিক এলাকা, অফিসার্স ক্লাব ও বিভিন্ন বাড়ির সামনে ঘুরতে দেখা যায়। খবার দিলেও সে মুখ দেয়নি। তখনও কেউ বুঝতে পারেননি— ছানাগুলোর কী হয়েছে।
এদিকে ঘটনার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
নোটিশের বিষয়ে ব্যারিস্টার সজীব মাহমুদ আলম বলেন, ‘‘৮টি কুকুর ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ডুবিয়ে হত্যার ঘটনায় অপরাধীদের বিরুদ্ধে এখনও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছি।’’
রিপোর্টারের নাম 























