ঢাকা ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

জুট ব্যবসায়ী মনির হত্যা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে হাজী সেলিম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

জুলাই আন্দোলনে ঢাকার চানখারপুলে জুট ব্যবসায়ী মো. মনির হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর)  তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এতথ্য নিশ্চিত করেন। তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মাইনুল হাসান খান পুলক তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আদালতের আদেশে রিমান্ড পেয়ে হাজী সেলিমকে ব্যাপক ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যেহেতু আসামি বাক প্রতিবন্ধী সেহেতু জিজ্ঞাসাবাকালে ১২ নম্বর এজাহারভুক্ত এ আসামি ইশারায়, আকার ইঙ্গিতে মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন— যা মামলার তদন্তে সহায়ক হবে। তার দেওয়া তথ্য মামলার তদন্তের স্বার্থে যাচাই-বাচাই অব্যাহত আছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পলাতক হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে পরবর্তী সময়ে তাকে পুনরায় রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে। বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত হাজী সেলিমকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

গত ২০ অক্টোবর তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। জুট ব্যবসায়ী মনির হত্যা মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সরকার পতনের দিন গেল বছরের ৫ আগস্ট শাহবাগ থানার চানখারপুল এলাকায় ছাত্রজনতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির। দুপুরে আসামিদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার গত ১৪ মার্চ শাহবাগ হত্যা মামলা করেন। মামলায় ৩৫১ জনকে এজাহারভুক্ত ও ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারের আকাশসীমায় ইরানের আগ্রাসন প্রতিহত: দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

জুট ব্যবসায়ী মনির হত্যা মামলা: রিমান্ড শেষে কারাগারে হাজী সেলিম

আপডেট সময় : ০৬:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

জুলাই আন্দোলনে ঢাকার চানখারপুলে জুট ব্যবসায়ী মো. মনির হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য হাজী মোহাম্মদ সেলিমকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর)  তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই জিন্নাত আলী এতথ্য নিশ্চিত করেন। তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মাইনুল হাসান খান পুলক তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, আদালতের আদেশে রিমান্ড পেয়ে হাজী সেলিমকে ব্যাপক ও নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। যেহেতু আসামি বাক প্রতিবন্ধী সেহেতু জিজ্ঞাসাবাকালে ১২ নম্বর এজাহারভুক্ত এ আসামি ইশারায়, আকার ইঙ্গিতে মামলার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন— যা মামলার তদন্তে সহায়ক হবে। তার দেওয়া তথ্য মামলার তদন্তের স্বার্থে যাচাই-বাচাই অব্যাহত আছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে চিরতরে পলাতক হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে পরবর্তী সময়ে তাকে পুনরায় রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে। বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত হাজী সেলিমকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

গত ২০ অক্টোবর তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। জুট ব্যবসায়ী মনির হত্যা মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, সরকার পতনের দিন গেল বছরের ৫ আগস্ট শাহবাগ থানার চানখারপুল এলাকায় ছাত্রজনতার সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নেন ঝুট ব্যবসায়ী মো. মনির। দুপুরে আসামিদের ছোড়া গুলিতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার গত ১৪ মার্চ শাহবাগ হত্যা মামলা করেন। মামলায় ৩৫১ জনকে এজাহারভুক্ত ও ৫০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।