দ্রুততম সময়ের মধ্যে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ বাস্তবায়নে বিধিমালা প্রণয়ন ও গেজেট আকারে প্রকাশ করাসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের দফতরের সামনে উপস্থিত হন সহকারী উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তারা। এসময় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সেখানে উপস্থিত হলে দাবিদাওয়ার চিঠি গ্রহণ করে কর্মকর্তাদের নিজ নিজ কাজে চলে যেতে বলেন।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে এই কর্মকর্তারা সিইসি’র দফতরের সামনে জড়ো হন।
এসময় ইসি সচিব আখতার আহমেদ তাদের উদ্দেশ বলেন, কী সমস্যা আপনাদের, আপনারা কাজ ফেলে দিয়ে এখানে চলে এসেছেন কেন? কী কী সমস্যা, কার সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন?
উপস্থিত কর্মকর্তারা এসময় জানান, তারা সিইসির সঙ্গে নিজেদের দাবি নিয়ে দেখা করতে এসেছেন।
এরপর দাবিগুলোর চিঠি চেয়ে ইসি সচিব বলেন, আমার কাছে দেন। এখন যে যার কাজে যান, আমি তো নিলাম আপনাদের কাছে থেকে, আমরা একটা ভালো নির্বাচন করতে যাচ্ছি— যেটা স্যারের (সিইসি) সঙ্গে বলার দরকার আমরা বলবো। আমি আপনাদের অনুরোধ করছি ,আপনারা যে যার কাজে যান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ সব নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সহকারী উপজেলা ও থানা ইলেকশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের দাবিগুলো বাস্তবায়ের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানানো হয়। তাদের জানানো ১০ দফা দাবিগুলো হলো—
১. দ্রুততম সময়ের মধ্যে ‘নির্বাচন কমিশন সার্ভিস’ বাস্তবায়নে বিধিমালা প্রণয়ন ও গেজেট আকারে প্রকাশ।
২. নির্বাচনি দায়িত্বপালন ও সব দফতরের সঙ্গে সমন্বয়ের স্বার্থে ‘উপজেলা নির্বাচন অফিসার’ পদ ষষ্ঠ গ্রেডে উন্নীতকরণ এবং ‘সহকারী উপজেলা নির্বাচন অফিসার’ পদ এন্ট্রি পদ হিসেবে নবম গ্রেডে উন্নীতকরণ।
৩. নির্বাচন কার্যক্রম সহজতর, সুষ্ঠু ও সফল বাস্তবায়নের স্বার্থে উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারদের জন্য ডাবল-কেবিন পিক-আপ এবং সহকারী উপজেলা নির্বাচন অফিসারদের জন্য মোটরসাইকেল সরবরাহ।
৪. উপজেলা নির্বাচন অফিসার পদে পদোন্নতির হার বৃদ্ধি এবং পদোন্নতিযোগ্য পদ সংরক্ষণ।
৫. সব নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদের রিটার্নিং/সহকারী রিটার্নিং অফিসার পদে পদায়ন।
৬. সহকারী উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারদের জন্য পৃথক রুমের ব্যবস্থা করা।
৭. নির্বাচন কার্য পরিচালনার জন্য সহকারী উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসারদের অনুকূলে বরাদ্দ প্রদান।
৮. নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের দফতরগুলোর সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা।
৯. ২০২৩ সালে প্রণীত বৈষম্যমূলক জাতীয় পরিচয়পত্র আইন বাতিল।
১০. কর্মরত ডাটা এন্ট্রি অপারেটরদের রাজস্ব খাতে রূপান্তর করা।
রিপোর্টারের নাম 























