মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ক্রীড়া কূটনীতি ও জাতীয় মর্যাদা: সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সাহসী পদক্ষেপের মূল্যায়ন

বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে জাতীয় মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া সাহসী সিদ্ধান্তগুলো আজও বিশেষভাবে স্মরণীয়। ২০২৪-২৫ সালের প্রেক্ষাপটে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল না পাঠানোর যে নীতিগত অবস্থান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার নিয়েছিল, তা ছিল দেশের ক্রিকেটীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। মূলত পেস বোলার মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে আইপিএল কর্তৃপক্ষের অপেশাদার ও অবমাননাকর আচরণের প্রতিবাদেই তৎকালীন সরকার এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছিল।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পনেরো বছরের শাসনামলে দেশের প্রতিটি সেক্টরের মতো ক্রীড়াঙ্গনকেও দলীয়করণ ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করা হয়েছিল। কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই কেবল রাজনৈতিক প্রভাবে বিসিবির শীর্ষ পদে বসানো হয়েছিল বিতর্কিত ব্যক্তিদের। সেই অচলায়তন ভেঙে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্রিকেট বোর্ডকে সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছিল, তা দেশের ক্রিকেটে নতুন প্রাণের সঞ্চার করে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও দেশের সম্মানকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়ে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা ও বিসিবি সভাপতির সেই অনড় অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

বর্তমানে ২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের আমলেও সেই সময়কার প্রতিবাদী ও মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া কূটনীতির ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সেই সময়কার দৃঢ় অবস্থান ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। ফ্যাসিস্ট শাসনমুক্ত পরিবেশে ক্রীড়াঙ্গনকে পুনরায় পেশাদারিত্বের ধারায় ফিরিয়ে আনার সেই সূচনা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আরও সুসংহত করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূমি অধিগ্রহণে হয়রানি ও দুর্নীতি বন্ধে ডিজিটাল বিপ্লব: চালু হচ্ছে ক্যাশলেস ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা

ক্রীড়া কূটনীতি ও জাতীয় মর্যাদা: সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সাহসী পদক্ষেপের মূল্যায়ন

আপডেট সময় : ০৯:৫০:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে জাতীয় মর্যাদা রক্ষার প্রশ্নে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া সাহসী সিদ্ধান্তগুলো আজও বিশেষভাবে স্মরণীয়। ২০২৪-২৫ সালের প্রেক্ষাপটে ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দল না পাঠানোর যে নীতিগত অবস্থান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার নিয়েছিল, তা ছিল দেশের ক্রিকেটীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। মূলত পেস বোলার মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে আইপিএল কর্তৃপক্ষের অপেশাদার ও অবমাননাকর আচরণের প্রতিবাদেই তৎকালীন সরকার এই কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছিল।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পনেরো বছরের শাসনামলে দেশের প্রতিটি সেক্টরের মতো ক্রীড়াঙ্গনকেও দলীয়করণ ও দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত করা হয়েছিল। কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই কেবল রাজনৈতিক প্রভাবে বিসিবির শীর্ষ পদে বসানো হয়েছিল বিতর্কিত ব্যক্তিদের। সেই অচলায়তন ভেঙে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্রিকেট বোর্ডকে সংস্কারের যে উদ্যোগ নিয়েছিল, তা দেশের ক্রিকেটে নতুন প্রাণের সঞ্চার করে। খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও দেশের সম্মানকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে স্থান দিয়ে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা ও বিসিবি সভাপতির সেই অনড় অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।

বর্তমানে ২০২৬ সালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত বিএনপি সরকারের আমলেও সেই সময়কার প্রতিবাদী ও মর্যাদাপূর্ণ ক্রীড়া কূটনীতির ইতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একাধিপত্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সেই সময়কার দৃঢ় অবস্থান ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সাহায্য করেছে। ফ্যাসিস্ট শাসনমুক্ত পরিবেশে ক্রীড়াঙ্গনকে পুনরায় পেশাদারিত্বের ধারায় ফিরিয়ে আনার সেই সূচনা বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আরও সুসংহত করছে।