মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

পুত্রবধূর ওপর শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা কি বাধ্যতামূলক? ইসলামি ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

পারিবারিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা স্ত্রীর জন্য কতটা আবশ্যিক, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি জানান, আক্ষরিক অর্থে বা আইনগতভাবে পুত্রবধূর ওপর শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা ফরজ বা বাধ্যতামূলক নয়।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী মা-বাবার সেবা করার মূল দায়িত্ব সরাসরি সন্তানের। তবে একজন আদর্শ মুসলিম হিসেবে এবং পারিবারিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সদাচরণ ও সেবা করা একটি অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। স্বামী যেহেতু স্ত্রীর সুখের জন্য অনেক দায়িত্ব পালন করেন, তাই স্ত্রীরও উচিত মানবিক দিক বিবেচনা করে স্বামীর বাবা-মায়ের প্রতি যত্নশীল হওয়া।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, জোর করে সেবা করানো ইসলাম সমর্থন করে না, তবে পারস্পরিক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে এই সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত। আজকের পুত্রবধূই ভবিষ্যতে শাশুড়ি হবেন—এই বিষয়টি মাথায় রেখে সহমর্মিতার সঙ্গে কাজ করলে সংসারে শান্তি ও বরকত বজায় থাকে। হাদিসের আলোকে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সেবা কোনো চাপিয়ে দেওয়া বিষয় নয়, বরং এটি নৈতিকতা ও ইহসানের অন্তর্ভুক্ত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৩২ শতাংশে, আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

পুত্রবধূর ওপর শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা কি বাধ্যতামূলক? ইসলামি ব্যাখ্যা দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

আপডেট সময় : ০৭:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

পারিবারিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা স্ত্রীর জন্য কতটা আবশ্যিক, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা দিয়েছেন বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ ও আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ। তিনি জানান, আক্ষরিক অর্থে বা আইনগতভাবে পুত্রবধূর ওপর শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা করা ফরজ বা বাধ্যতামূলক নয়।

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী মা-বাবার সেবা করার মূল দায়িত্ব সরাসরি সন্তানের। তবে একজন আদর্শ মুসলিম হিসেবে এবং পারিবারিক সম্প্রীতি বজায় রাখতে বয়োজ্যেষ্ঠদের প্রতি সদাচরণ ও সেবা করা একটি অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। স্বামী যেহেতু স্ত্রীর সুখের জন্য অনেক দায়িত্ব পালন করেন, তাই স্ত্রীরও উচিত মানবিক দিক বিবেচনা করে স্বামীর বাবা-মায়ের প্রতি যত্নশীল হওয়া।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, জোর করে সেবা করানো ইসলাম সমর্থন করে না, তবে পারস্পরিক ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার ভিত্তিতে এই সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত। আজকের পুত্রবধূই ভবিষ্যতে শাশুড়ি হবেন—এই বিষয়টি মাথায় রেখে সহমর্মিতার সঙ্গে কাজ করলে সংসারে শান্তি ও বরকত বজায় থাকে। হাদিসের আলোকে তিনি স্পষ্ট করেন যে, সেবা কোনো চাপিয়ে দেওয়া বিষয় নয়, বরং এটি নৈতিকতা ও ইহসানের অন্তর্ভুক্ত।