মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

‘পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভূরাজনীতির দাবার ঘুঁটি বানাতে চায় বিদেশি অপশক্তি’

পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে বিদেশি অপশক্তি ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের এক-দশমাংশ জুড়ে বিস্তৃত এই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করতে নানামুখী তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে চিটাগাং হিল ট্র্যাক্ট রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে যে ভূরাজনৈতিক খেলা চলছে, তা মোকাবিলায় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে একটি স্থায়ী ও চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে হবে। অন্যথায় জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে একটি রিট পিটিশনের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের বাঙালিরা ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছিলেন এবং একই আইনি প্রক্রিয়ায় সেখান থেকে সেনাক্যাম্প প্রত্যাহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এটি ছিল সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তাজুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের সকল নাগরিকের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করার একমাত্র পথ। পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এই জাতীয়তাবাদী চেতনার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৩২ শতাংশে, আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

‘পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভূরাজনীতির দাবার ঘুঁটি বানাতে চায় বিদেশি অপশক্তি’

আপডেট সময় : ১০:২৬:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে বিদেশি অপশক্তি ও প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের এক-দশমাংশ জুড়ে বিস্তৃত এই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলটিকে অস্থিতিশীল করতে নানামুখী তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে চিটাগাং হিল ট্র্যাক্ট রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, পার্বত্য অঞ্চল নিয়ে যে ভূরাজনৈতিক খেলা চলছে, তা মোকাবিলায় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে একটি স্থায়ী ও চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছাতে হবে। অন্যথায় জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে একটি রিট পিটিশনের মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের বাঙালিরা ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছিলেন এবং একই আইনি প্রক্রিয়ায় সেখান থেকে সেনাক্যাম্প প্রত্যাহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। এটি ছিল সার্বভৌমত্ব রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

তাজুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদই দেশের সকল নাগরিকের সমান মর্যাদা নিশ্চিত করার একমাত্র পথ। পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থিতিশীলতা রক্ষায় এই জাতীয়তাবাদী চেতনার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি মনে করেন।