মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রুশ প্রতিষ্ঠানের বকেয়া নিয়ে বিজিএমইএ ও এলপিপির যৌথ বিবৃতি: আইনি দায়বদ্ধদেরই মেটাতে হবে পাওনা

রাশিয়ার ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এফইএস রিটেইলের বকেয়া পরিশোধ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে একমত হয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং পোল্যান্ডভিত্তিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড এলপিপি। মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে উভয় পক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, রপ্তানি চালানের বিপরীতে পাওনা অর্থ আইনগতভাবে দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই নিষ্পত্তি করতে হবে।

জানা গেছে, রুশ কোম্পানি এফইএস রিটেইলের কাছে বাংলাদেশের প্রায় ৪০টি পোশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের চার কোটি ডলার পাওনা রয়েছে। এই অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় সম্প্রতি বিরোধের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় রপ্তানিকারকদের দাবি ছিল, এলপিপির ঢাকা কার্যালয় এই চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছে। তবে যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, এলপিপি এখানে কোনো দেনাদার বা অর্থ পরিশোধে আইনিভাবে বাধ্য থাকা পক্ষ নয়।

বিবৃতিতে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও এলপিপির প্রতিনিধি ডোরোটা জানকোভস্কা-টমকৌ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর দেনা-পাওনা সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গেই মেটানো উচিত। এলপিপি জানিয়েছে, তারা তাদের প্রত্যক্ষ সরবরাহকারীদের যাবতীয় পাওনা নিয়মিত পরিশোধ করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা আইনি অবস্থান বজায় রেখে প্রয়োজনে গঠনমূলক সংলাপে সহায়তা করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৩২ শতাংশে, আট মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন

রুশ প্রতিষ্ঠানের বকেয়া নিয়ে বিজিএমইএ ও এলপিপির যৌথ বিবৃতি: আইনি দায়বদ্ধদেরই মেটাতে হবে পাওনা

আপডেট সময় : ১০:১৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

রাশিয়ার ক্রেতা প্রতিষ্ঠান এফইএস রিটেইলের বকেয়া পরিশোধ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে একমত হয়েছে তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ এবং পোল্যান্ডভিত্তিক ফ্যাশন ব্র্যান্ড এলপিপি। মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে উভয় পক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, রপ্তানি চালানের বিপরীতে পাওনা অর্থ আইনগতভাবে দায়বদ্ধ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেই নিষ্পত্তি করতে হবে।

জানা গেছে, রুশ কোম্পানি এফইএস রিটেইলের কাছে বাংলাদেশের প্রায় ৪০টি পোশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের চার কোটি ডলার পাওনা রয়েছে। এই অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় সম্প্রতি বিরোধের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় রপ্তানিকারকদের দাবি ছিল, এলপিপির ঢাকা কার্যালয় এই চুক্তিতে মধ্যস্থতা করেছে। তবে যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, এলপিপি এখানে কোনো দেনাদার বা অর্থ পরিশোধে আইনিভাবে বাধ্য থাকা পক্ষ নয়।

বিবৃতিতে বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান ও এলপিপির প্রতিনিধি ডোরোটা জানকোভস্কা-টমকৌ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলোর দেনা-পাওনা সংশ্লিষ্ট পক্ষের সঙ্গেই মেটানো উচিত। এলপিপি জানিয়েছে, তারা তাদের প্রত্যক্ষ সরবরাহকারীদের যাবতীয় পাওনা নিয়মিত পরিশোধ করে আসছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা আইনি অবস্থান বজায় রেখে প্রয়োজনে গঠনমূলক সংলাপে সহায়তা করবে।