মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহারের রোমহর্ষক চিত্র প্রকাশ

অবরুদ্ধ উত্তর গাজায় ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে পরবর্তীতে তাদের হত্যার ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, বেইত লাহিয়া এলাকার দুই বয়োবৃদ্ধ ফিলিস্তিনি নাদি মারুফ ও আলী মারুফকে চোখ বেঁধে এবং অমানবিক অবস্থায় আটকে রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী।

অভিযোগ উঠেছে, ইসরাইলি সেনারা কোনো সন্দেহভাজন ভবনে বা সুড়ঙ্গে প্রবেশের আগে এই বৃদ্ধদের জোরপূর্বক সামনে পাঠাতো যাতে সম্ভাব্য বিস্ফোরণ বা হামলা থেকে নিজেরা রক্ষা পায়। সাংবাদিক ইউনুস তিরাউই জানিয়েছেন, বিগত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে বেইত লাহিয়া থেকে তাদের অপহরণ করে দীর্ঘ সময় মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং পরবর্তীতে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার তিন দিন পর স্বজনরা তাদের মরদেহ খুঁজে পান।

জাতিসংঘের এক তদন্ত প্রতিবেদনে এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বেসামরিক নাগরিকদের জীবনের তোয়াক্কা না করে তাদের যুদ্ধের টোপ হিসেবে ব্যবহার করা স্পষ্টত যুদ্ধাপরাধের শামিল। গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর এমন নৃশংস আচরণের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে নতুন লঘুচাপের শঙ্কা: বৃহস্পতিবার থেকে সারাদেশে বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার পূর্বাভাস

গাজায় ফিলিস্তিনিদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহারের রোমহর্ষক চিত্র প্রকাশ

আপডেট সময় : ০৭:৫১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

অবরুদ্ধ উত্তর গাজায় ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করে পরবর্তীতে তাদের হত্যার ভয়াবহ চিত্র সামনে এসেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, বেইত লাহিয়া এলাকার দুই বয়োবৃদ্ধ ফিলিস্তিনি নাদি মারুফ ও আলী মারুফকে চোখ বেঁধে এবং অমানবিক অবস্থায় আটকে রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী।

অভিযোগ উঠেছে, ইসরাইলি সেনারা কোনো সন্দেহভাজন ভবনে বা সুড়ঙ্গে প্রবেশের আগে এই বৃদ্ধদের জোরপূর্বক সামনে পাঠাতো যাতে সম্ভাব্য বিস্ফোরণ বা হামলা থেকে নিজেরা রক্ষা পায়। সাংবাদিক ইউনুস তিরাউই জানিয়েছেন, বিগত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে বেইত লাহিয়া থেকে তাদের অপহরণ করে দীর্ঘ সময় মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং পরবর্তীতে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার তিন দিন পর স্বজনরা তাদের মরদেহ খুঁজে পান।

জাতিসংঘের এক তদন্ত প্রতিবেদনে এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বেসামরিক নাগরিকদের জীবনের তোয়াক্কা না করে তাদের যুদ্ধের টোপ হিসেবে ব্যবহার করা স্পষ্টত যুদ্ধাপরাধের শামিল। গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর এমন নৃশংস আচরণের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে তীব্র নিন্দা ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি আরও জোরালো হচ্ছে।