মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দুই মাদরাসায় চরম ফল বিপর্যয়: এক প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় সদ্য প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। মাগুড়া দাখিল মাদরাসা থেকে এ বছর কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে, যা স্থানীয় শিক্ষামহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

একই উপজেলার লতিফা আয়শা দাখিল মাদরাসার ফলাফলও হতাশাজনক। এই মাদরাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও মাত্র একজন কৃতকার্য হতে পেরেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হওয়া মাগুড়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার মান বর্তমানে তলানিতে এসে ঠেকেছে। শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও দিন দিন কমছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাঠদানে শিক্ষকদের আগ্রহের অভাবই এমন ফল বিপর্যয়ের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার সুপার মো. জাকির হোসেন ফলাফলের খারাপ অবস্থা স্বীকার করে বলেন, “ফলাফল খুবই খারাপ হয়েছে। আমরা ভালো নেই। গ্রাম এলাকার প্রতিষ্ঠান হওয়ায় ছেলে-মেয়েরা তেমন একটা পড়তে চায় না।” তবে শিক্ষকদের পাঠদানে অনীহার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।

এই ফল বিপর্যয় ভাঙ্গুড়া উপজেলার মাদরাসা শিক্ষার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে। বর্তমান বিএনপি সরকার শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে সচেষ্ট থাকলেও, এমন স্থানীয় ব্যর্থতা সরকারকে বিব্রত করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষক নিয়োগে ম্যানেজিং কমিটির ক্ষমতা: চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় দুই মাদরাসায় চরম ফল বিপর্যয়: এক প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল

আপডেট সময় : ০৭:৫২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় সদ্য প্রকাশিত দাখিল পরীক্ষার ফলাফলে চরম বিপর্যয় ঘটেছে। মাগুড়া দাখিল মাদরাসা থেকে এ বছর কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছে, যা স্থানীয় শিক্ষামহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

একই উপজেলার লতিফা আয়শা দাখিল মাদরাসার ফলাফলও হতাশাজনক। এই মাদরাসা থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও মাত্র একজন কৃতকার্য হতে পেরেছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আতিকুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হওয়া মাগুড়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার মান বর্তমানে তলানিতে এসে ঠেকেছে। শিক্ষার্থীদের সংখ্যাও দিন দিন কমছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পাঠদানে শিক্ষকদের আগ্রহের অভাবই এমন ফল বিপর্যয়ের প্রধান কারণ বলে মনে করছেন অনেকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসার সুপার মো. জাকির হোসেন ফলাফলের খারাপ অবস্থা স্বীকার করে বলেন, “ফলাফল খুবই খারাপ হয়েছে। আমরা ভালো নেই। গ্রাম এলাকার প্রতিষ্ঠান হওয়ায় ছেলে-মেয়েরা তেমন একটা পড়তে চায় না।” তবে শিক্ষকদের পাঠদানে অনীহার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।

এই ফল বিপর্যয় ভাঙ্গুড়া উপজেলার মাদরাসা শিক্ষার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং সংশ্লিষ্টদের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে। বর্তমান বিএনপি সরকার শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে সচেষ্ট থাকলেও, এমন স্থানীয় ব্যর্থতা সরকারকে বিব্রত করছে।