মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

দেশে সংঘর্ষের আবহ, রাবিতে সহাবস্থান ধরে রেখেছে ছাত্রদল ও শিবির

সম্প্রতি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মুখোমুখি সংঘাত হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র ব্যতিক্রম। ক্যাম্পাসে হল দখল এবং রাজনৈতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকবার উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তৈরি হলেও, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন, আবাসিক হলে আসন বণ্টন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন আদায়ে মনোযোগ দেওয়াই উভয় শিবিরের প্রধান লক্ষ্য। সংঘাতের ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ভয়েই দুই দল সতর্ক কৌশল গ্রহণ করেছে।

রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাদের মূল অগ্রাধিকার। অনাকাঙ্ক্ষিত উসকানিতে প্ররোচিত না হয়ে দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান বলেন, শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা সরাসরি কোনো উসকানি এলেও সহনশীলতার মাধ্যমে তা প্রতিহত করার কথা জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান জানান, ক্যাম্পাসে সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন। সংঘাত এড়াতে নিয়মিত উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং বর্তমানে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনার আশঙ্কাই নেই।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

মঙ্গলের রোভার যাচ্ছে চন্দ্রাভিযানে: নতুন ‘প্রমিস’ প্রজেক্ট উন্মোচন করল নাসা

দেশে সংঘর্ষের আবহ, রাবিতে সহাবস্থান ধরে রেখেছে ছাত্রদল ও শিবির

আপডেট সময় : ১২:২৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

সম্প্রতি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মুখোমুখি সংঘাত হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র ব্যতিক্রম। ক্যাম্পাসে হল দখল এবং রাজনৈতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বেশ কয়েকবার উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তৈরি হলেও, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টদের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন, আবাসিক হলে আসন বণ্টন এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থন আদায়ে মনোযোগ দেওয়াই উভয় শিবিরের প্রধান লক্ষ্য। সংঘাতের ফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ভয়েই দুই দল সতর্ক কৌশল গ্রহণ করেছে।

রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী জানান, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করাই তাদের মূল অগ্রাধিকার। অনাকাঙ্ক্ষিত উসকানিতে প্ররোচিত না হয়ে দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে দলীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান বলেন, শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা সরাসরি কোনো উসকানি এলেও সহনশীলতার মাধ্যমে তা প্রতিহত করার কথা জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান জানান, ক্যাম্পাসে সার্বিক রাজনৈতিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করছে প্রশাসন। সংঘাত এড়াতে নিয়মিত উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে এবং বর্তমানে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনার আশঙ্কাই নেই।