তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, যেসকল মহান ব্যক্তিত্বের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন দেশ ও গণতন্ত্র পেয়েছি, তাঁদের অবদান সম্পর্কে পরবর্তী প্রজন্মকে জানানো অত্যন্ত জরুরি। তবে এই বিষয়ে পর্যাপ্ত বই, লেখনী বা চলচ্চিত্র সেভাবে গড়ে ওঠেনি বলে তিনি মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার জন্য কাজ করছে এবং এ ধরনের উদ্যোগে সার্বিক সহযোগিতা দিতে সদা প্রস্তুত রয়েছে।
রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে লেখক-সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা রচিত ‘শহীদ জিয়ার গল্প শোনো’ ও ‘ছোটদের প্রিয় খালেদা জিয়া’ শীর্ষক দুটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও প্রকাশনা উৎসবে তিনি এসব কথা বলেন। ‘দশমিক’ প্রকাশনা সংস্থা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিশু-কিশোরদের জন্য এই বইগুলোর ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করা উচিত, যাতে তারাও দেশের ইতিহাস ও ত্যাগী নেতাদের অবদান সম্পর্কে সহজে জানতে পারে।
স্মৃতিচারণ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা না দিতেন এবং ‘আই রিভোল্ট’ না বলতেন, তবে হয়তো আজ আমরা স্বাধীন দেশ পেতাম না। একইভাবে দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবন বাজি রেখে গণতন্ত্র রক্ষা ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলন করেছেন। তাদের এই অবদান যদি নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা না হয়, তবে কালের বিবর্তনে তা হারিয়ে যেতে পারে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘ সতেরো বছরের আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে অর্জিত এই গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার আমাদের রক্ষা করতে হবে। দেশে যেন পুনরায় ফ্যাসিবাদের উত্থান না ঘটে, সেজন্য সর্বস্তরের জনগণকে সর্বদা সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।
প্রকাশনা সংস্থা ‘দশমিক’-এর স্বত্বাধিকারী দীপান্ত রায়হানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান সেলিম, সংসদ সদস্য এস এম জিলানী, সংসদ সদস্য কে এম বাবর এবং সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান ভুঁইয়া দিপু। এছাড়া আলোচক হিসেবে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তাহমিনা আক্তার টপি এবং সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক এহসান মাহমুদ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন লেখক কালাম ফারায়েজি, বই দুটির লেখক ও সাংবাদিক সাবরিনা শুভ্রা, কবি মিন্টু হক প্রমুখ।
রিপোর্টারের নাম 






















