ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) আয়োজিত কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় ছয় শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) ডাকসু ভবনের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদপত্র ও নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম প্রধান অতিথি এবং ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। কবিতা বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন শামসুন নাহার হলের শিক্ষার্থী সৈয়দা মুবাশ্বিরা মৌলি, দ্বিতীয় হন বিজয় একাত্তর হলের আকরামুজ্জামান এবং তৃতীয় হন রোকেয়া হলের ফারিয়া দিলরুবা। সংগীত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন ফজিলাতুন্নেছা হলের অর্পিতা দে, দ্বিতীয় হন জগন্নাথ হলের দীপ্ত সেন এবং তৃতীয় হন শামসুন্নাহার হলের সায়মা বিনতে ইসমাইল।
অনুষ্ঠানে ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও দর্শন বাংলা ভাষার সাংস্কৃতিক ও মানবিক চেতনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে নজরুলের অসাম্প্রদায়িকতা, সাম্য, মানবিকতা ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চেতনা ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার সুযোগ তৈরি করা ডাকসুর অন্যতম দায়িত্ব। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশ আরও বিস্তৃত হবে।
ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে, সাম্য ও মানবিকতার চর্চা করতে শেখায়। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশের পাশাপাশি নজরুলের সেই চেতনাকে ধারণ করে একটি মুক্ত ও মানবিক ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে ডাকসু কাজ করে যাবে।
রিপোর্টারের নাম 























