মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৯৭ বার পেছাল

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এই নিয়ে ৯৭ বার প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছানো হলো।

রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকুনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি সময়মতো প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরবর্তীতে এই অর্থ ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। দেশের অভ্যন্তরের কোনো চক্রের সহায়তায় এই হ্যাকিং সংঘটিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

ওই ঘটনায় একই বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এবং তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটির তদন্ত করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় দুই যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

রিজার্ভ চুরির মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ৯৭ বার পেছাল

আপডেট সময় : ০৫:০১:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এই নিয়ে ৯৭ বার প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছানো হলো।

রোববার (৯ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রোকুনুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি সময়মতো প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে সুইফট কোডের মাধ্যমে হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করা হয়। পরবর্তীতে এই অর্থ ফিলিপাইনে পাঠানো হয়। দেশের অভ্যন্তরের কোনো চক্রের সহায়তায় এই হ্যাকিং সংঘটিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

ওই ঘটনায় একই বছরের ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপ-পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এবং তথ্য ও প্রযুক্তি আইন-২০০৬ এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মামলাটির তদন্ত করছে।