চীনের ও ভারতের কয়েকটি তেল শোধনাগার বড় অঙ্কের মূল্যছাড়ের বিনিময়ে ইরাকের অপরিশোধিত তেল কিনতে আগ্রহী। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ পরিবহনের মাধ্যমে এই তেল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তবে হরমুজ প্রণালিতে বিদ্যমান নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে এখনো পর্যন্ত কোনো জাহাজ ভাড়া চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি।
শিপিং খাতের একাধিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে চীন ও ভারতের কয়েকটি শোধনাগার হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে ইরাকের বসরা অয়েল টার্মিনাল থেকে অপরিশোধিত তেল সংগ্রহের জন্য জাহাজ খুঁজছে। এই তেল কেনার প্রতি তাদের আগ্রহের মূল কারণ হলো ইরাকের রাষ্ট্রীয় তেল বিপণন প্রতিষ্ঠান সোমো (SOMO) কর্তৃক প্রদত্ত বড় অঙ্কের মূল্যছাড়।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে সরবরাহের জন্য সোমো বসরা হেভি ও বসরা মিডিয়াম গ্রেডের অপরিশোধিত তেলে প্রতি ব্যারেলে প্রায় ৩০ ডলার পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এই বিপুল ছাড় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করেছে।
তবে, হরমুজ প্রণালিতে বিরাজমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে জাহাজ মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ থাকায় তারা সেখানে জাহাজ পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করছেন। এই অনীহার কারণেই এখন পর্যন্ত কোনো জাহাজ ভাড়ার চুক্তি সম্পন্ন হয়নি।
জ্বালানি বাজার বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ক্লেপলারের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র ছয়টি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল করেছে। অন্যদিকে, একই সময়ে প্রণালিতে প্রবেশ করেছে ২১টি জাহাজ, যার বেশিরভাগই ইরানের জলসীমা ব্যবহার করেছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের শুরুতে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছিল। এর আগে প্রতিদিন এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে গড়ে ১৩০ থেকে ১৪০টি জাহাজ চলাচল করত।
রিপোর্টারের নাম 























