মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান নিয়ে রিহ্যাবে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, স্থবির প্রশাসনিক কার্যক্রম

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও প্রশাসনিক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মূলত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ২ কোটি টাকা অনুদান প্রদান এবং সংগঠনের বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে এই মতবিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়ার বিষয়ে পর্ষদের একটি অংশ তীব্র আপত্তি তুলেছে। তাদের অভিযোগ, এই বিশাল অঙ্কের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও বোর্ড সভার অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, সব সিদ্ধান্তই নিয়ম মেনে এবং পর্ষদের সম্মতিতেই হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবিগুলো মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে, সংগঠনের ১০ জন নির্বাচিত পরিচালক বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিকার চেয়েছেন। গত ৩০ জুলাই এই বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর অধিকতর পর্যবেক্ষণের স্বার্থে ১ আগস্টের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) স্থগিত করার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। এর ফলে সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে এসেছে।

অন্যদিকে, ১৬ জন পরিচালক বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাল্টা চিঠি দিয়েছেন। তাদের ভাষ্যমতে, দ্বিতীয় বোর্ড সভায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদানের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল। সময় স্বল্পতার কারণে নতুন করে বোর্ড সভা ডাকা সম্ভব না হওয়ায় ভাইস প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ২ কোটি টাকার চেক প্রদান করা হয়। তারা মনে করেন, মহৎ উদ্দেশ্যে দেওয়া এই অনুদান নিয়ে রাজনীতি করা সমীচীন নয়।

এ বিষয়ে রিহ্যাবের সহসভাপতি-১ মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাস বর্তমানে ওমরাহ পালনে মক্কায় থাকায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মাদ আব্দুল আওয়াল মনে করেন, সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তসলিমা নাসরিনের অভিযোগ: দেশে ফিরলে আইনি প্রতিকার চাইতে পারবেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান নিয়ে রিহ্যাবে অভ্যন্তরীণ কোন্দল, স্থবির প্রশাসনিক কার্যক্রম

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও প্রশাসনিক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে চরম অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। মূলত প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে ২ কোটি টাকা অনুদান প্রদান এবং সংগঠনের বিভিন্ন প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে পরিচালনা পর্ষদের মধ্যে এই মতবিরোধের সৃষ্টি হয়েছে।

সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদান দেওয়ার বিষয়ে পর্ষদের একটি অংশ তীব্র আপত্তি তুলেছে। তাদের অভিযোগ, এই বিশাল অঙ্কের অর্থ প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ও বোর্ড সভার অনুমোদন নেওয়া হয়নি। তবে বর্তমান নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, সব সিদ্ধান্তই নিয়ম মেনে এবং পর্ষদের সম্মতিতেই হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবিগুলো মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে, সংগঠনের ১০ জন নির্বাচিত পরিচালক বর্তমান নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ এনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিকার চেয়েছেন। গত ৩০ জুলাই এই বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর অধিকতর পর্যবেক্ষণের স্বার্থে ১ আগস্টের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) স্থগিত করার নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। এর ফলে সংগঠনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে এক ধরনের স্থবিরতা নেমে এসেছে।

অন্যদিকে, ১৬ জন পরিচালক বর্তমান নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাল্টা চিঠি দিয়েছেন। তাদের ভাষ্যমতে, দ্বিতীয় বোর্ড সভায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অনুদানের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত আগেই নেওয়া হয়েছিল। সময় স্বল্পতার কারণে নতুন করে বোর্ড সভা ডাকা সম্ভব না হওয়ায় ভাইস প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে আলোচনা করে ২ কোটি টাকার চেক প্রদান করা হয়। তারা মনে করেন, মহৎ উদ্দেশ্যে দেওয়া এই অনুদান নিয়ে রাজনীতি করা সমীচীন নয়।

এ বিষয়ে রিহ্যাবের সহসভাপতি-১ মোহাম্মদ আক্তার বিশ্বাস বর্তমানে ওমরাহ পালনে মক্কায় থাকায় কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মাদ আব্দুল আওয়াল মনে করেন, সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে যাওয়া ঠিক হয়নি।