মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

ঢাবি ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতায় ছাত্রদলের ৬ দফা দাবি: উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনসমূহের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ছয় দফা দাবি জানিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে উপাচার্যের কার্যালয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

‘Green & Clean Campus First’ এবং ‘পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস করি, প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস গড়ি’—এই দুটি প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ছাত্রদল এই কর্মসূচি আয়োজন করে। ছাত্রদল নেতারা দাবি করেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি এর পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত ভারসাম্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ক্যাম্পাসের পরিবেশ সুরক্ষায় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন ও বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা করা। প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে অন্তত একটি ডাস্টবিন স্থাপন এবং পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্যের জন্য আলাদা রঙের ডাস্টবিন রাখার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, ক্যাম্পাসের প্রতিটি দোকানের সামনে ডাস্টবিন রাখা ও সেগুলোর নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে তদারকির দাবি জানানো হয়।

এছাড়া, প্লাস্টিকের কাপ ও ব্যাগের পরিবর্তে কাগজ বা স্বল্পমূল্যের পচনশীল উপাদানে তৈরি কাপ ও ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে প্রচারণাসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রতিটি আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনে মাসে অন্তত দুই দিন বা তার বেশি সময় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ও একাডেমিক ভবনগুলোর টয়লেট, ওয়াশরুমসহ স্যানিটেশন ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন এবং ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়াগুলোতে কেন্দ্রীয় মনিটরিং নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।

ছাত্রদল কর্তৃপক্ষ মনে করে, এসব দাবির বাস্তবায়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশকে আরও উন্নত করবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাত্রায় সহায়তা করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তসলিমা নাসরিনের অভিযোগ: দেশে ফিরলে আইনি প্রতিকার চাইতে পারবেন, জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

ঢাবি ক্যাম্পাসের পরিচ্ছন্নতায় ছাত্রদলের ৬ দফা দাবি: উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় : ০৮:১০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনসমূহের সার্বিক পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় ছয় দফা দাবি জানিয়ে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে উপাচার্যের কার্যালয়ে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়।

‘Green & Clean Campus First’ এবং ‘পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস করি, প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস গড়ি’—এই দুটি প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ছাত্রদল এই কর্মসূচি আয়োজন করে। ছাত্রদল নেতারা দাবি করেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশের পাশাপাশি এর পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশগত ভারসাম্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং ক্যাম্পাসের পরিবেশ সুরক্ষায় প্রশাসন ও শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ক্যাম্পাসে পর্যাপ্ত ডাস্টবিন স্থাপন ও বর্জ্য পৃথকীকরণের ব্যবস্থা করা। প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে অন্তত একটি ডাস্টবিন স্থাপন এবং পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্যের জন্য আলাদা রঙের ডাস্টবিন রাখার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে, ক্যাম্পাসের প্রতিটি দোকানের সামনে ডাস্টবিন রাখা ও সেগুলোর নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে তদারকির দাবি জানানো হয়।

এছাড়া, প্লাস্টিকের কাপ ও ব্যাগের পরিবর্তে কাগজ বা স্বল্পমূল্যের পচনশীল উপাদানে তৈরি কাপ ও ব্যাগ ব্যবহারে উৎসাহিত করতে প্রচারণাসহ কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে প্রতিটি আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনে মাসে অন্তত দুই দিন বা তার বেশি সময় পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার প্রস্তাব দেওয়া হয়। পাশাপাশি, বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ও একাডেমিক ভবনগুলোর টয়লেট, ওয়াশরুমসহ স্যানিটেশন ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন এবং ক্যান্টিন ও ক্যাফেটেরিয়াগুলোতে কেন্দ্রীয় মনিটরিং নিশ্চিত করার দাবিও জানানো হয়েছে।

ছাত্রদল কর্তৃপক্ষ মনে করে, এসব দাবির বাস্তবায়ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশকে আরও উন্নত করবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাত্রায় সহায়তা করবে।