মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

বিএসটিআই পরীক্ষার ৮ ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি শনাক্ত: ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান

পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বিপজ্জনক মাত্রায় ক্ষতিকর মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত করেছে। তাই এসব ক্রিম বিক্রয়-বিতরণ ও মজুদ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ মান অনুযায়ী, এসব পণ্যে মার্কারির মাত্রা অত্যন্ত বিপজ্জনক হওয়ায় জনসাধারণকে এগুলোর ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএসটিআই জানায়, দেশীয় বাজারে বিভিন্ন রং ফর্সাকারী ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে, যা বৈধভাবে আমদানি করা হচ্ছে না। লাগেজ বা চোরাই পথে এসব পণ্য বাজারে প্রবেশ করছে এবং বিক্রি হচ্ছে, ফলে বিএসটিআইয়ের পক্ষে এগুলোর মান যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। বাজার থেকে সংগ্রহ করা এমন রং ফর্সাকারী ক্রিম বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে অত্যন্ত বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি (Mercury) শনাক্ত হয়েছে। এসব পণ্যে মার্কারির উপস্থিতি বাংলাদেশ মান (বিডিএস ১৩৮২) অনুযায়ী নির্ধারিত সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা ১.০০ (এক) পিপিএম এর বহু গুণ বেশি পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই আরও জানায়, বাজার থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার পর পাকিস্তানের এস.জে এন্টারপ্রাইজ-এর চাঁদনি হোয়াটেনিং ক্রিমে ১২০.৩৯ পিপিএম; পাকিস্তানের কিউসিআই কোম্পানি-এর নিউ ফেস বিউটি ক্রিমে ৪৪.৭২ পিপিএম; পাকিস্তানের লোয়া ইন্টারন্যাশনাল-এর নাভিয়া বিউটি ক্রিম ও নাভিয়া হোয়াটেনিং ক্রিমে যথাক্রমে ৫৯.৮২ পিপিএম এবং ৭৯.৭০ পিপিএম; পাকিস্তানের নুর এন্টাপ্রাইজ-এর নুর হোয়াটেনিং ক্রিমে ৮২.৭৬ পিপিএম; পাকিস্তানের ক্রিয়েটিভ কসমেটিকস-এর ডিউ বিউটি ক্রিমে ১২৩.৩৭ পিপিএম; পাকিস্তানের গৌরী কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেড-এর গৌরি বিউটি ক্রিমে ৫৬.৯৩ পিপিএম এবং চায়নার জিএলডিজেবি (হারবিন) কসমেটিকস কো. লি.-এর ন্যাচারাল পার্ল স্ক্রিন ক্রিমে ৬৭.৪৯ পিপিএম মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাই বিএসটিআইয়ের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মির্জাপুরে সড়ক নির্মাণে অনিয়ম: জনরোষের মুখে নিম্নমানের সামগ্রী সরিয়ে নিল ঠিকাদার

বিএসটিআই পরীক্ষার ৮ ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি শনাক্ত: ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৫:৪৪:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বিপজ্জনক মাত্রায় ক্ষতিকর মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত করেছে। তাই এসব ক্রিম বিক্রয়-বিতরণ ও মজুদ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ মান অনুযায়ী, এসব পণ্যে মার্কারির মাত্রা অত্যন্ত বিপজ্জনক হওয়ায় জনসাধারণকে এগুলোর ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিএসটিআই জানায়, দেশীয় বাজারে বিভিন্ন রং ফর্সাকারী ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে, যা বৈধভাবে আমদানি করা হচ্ছে না। লাগেজ বা চোরাই পথে এসব পণ্য বাজারে প্রবেশ করছে এবং বিক্রি হচ্ছে, ফলে বিএসটিআইয়ের পক্ষে এগুলোর মান যাচাই করা সম্ভব হচ্ছে না। বাজার থেকে সংগ্রহ করা এমন রং ফর্সাকারী ক্রিম বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় ৮টি ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সাকারী ক্রিমে অত্যন্ত বিপজ্জনক মাত্রার মার্কারি (Mercury) শনাক্ত হয়েছে। এসব পণ্যে মার্কারির উপস্থিতি বাংলাদেশ মান (বিডিএস ১৩৮২) অনুযায়ী নির্ধারিত সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য মাত্রা ১.০০ (এক) পিপিএম এর বহু গুণ বেশি পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই আরও জানায়, বাজার থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষার পর পাকিস্তানের এস.জে এন্টারপ্রাইজ-এর চাঁদনি হোয়াটেনিং ক্রিমে ১২০.৩৯ পিপিএম; পাকিস্তানের কিউসিআই কোম্পানি-এর নিউ ফেস বিউটি ক্রিমে ৪৪.৭২ পিপিএম; পাকিস্তানের লোয়া ইন্টারন্যাশনাল-এর নাভিয়া বিউটি ক্রিম ও নাভিয়া হোয়াটেনিং ক্রিমে যথাক্রমে ৫৯.৮২ পিপিএম এবং ৭৯.৭০ পিপিএম; পাকিস্তানের নুর এন্টাপ্রাইজ-এর নুর হোয়াটেনিং ক্রিমে ৮২.৭৬ পিপিএম; পাকিস্তানের ক্রিয়েটিভ কসমেটিকস-এর ডিউ বিউটি ক্রিমে ১২৩.৩৭ পিপিএম; পাকিস্তানের গৌরী কসমেটিকস প্রাইভেট লিমিটেড-এর গৌরি বিউটি ক্রিমে ৫৬.৯৩ পিপিএম এবং চায়নার জিএলডিজেবি (হারবিন) কসমেটিকস কো. লি.-এর ন্যাচারাল পার্ল স্ক্রিন ক্রিমে ৬৭.৪৯ পিপিএম মার্কারির উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে কোনো ধরনের আপসের সুযোগ নেই। ভোক্তার জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাই বিএসটিআইয়ের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।