মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

কেশবপুরে খাল খননে অর্থ আত্মসাৎ: তদন্তের দাবি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

যশোরের কেশবপুরে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ব্যাসডাঙ্গা খাল খনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ৭৭ লাখ ২১ হাজার ১১ টাকা থেকে সিংহভাগ অর্থই প্রকল্প চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যানের যোগসাজশে লোপাটের অভিযোগ করেছেন খোদ প্রকল্প কমিটির সদস্যরা। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটির দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেত্রী ও ইউপি মেম্বর নাজমা খাতুন। নিয়ম অনুযায়ী গত মে মাসের শেষ থেকে জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও, প্রকল্প চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন আলা নামমাত্র কাজ করেই বিশাল অংকের টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

কমিটির সদস্যদের দাবি, উত্তোলিত অর্থের একটি ক্ষুদ্র অংশ শ্রমিক ও ভেকু চালকদের বিল পরিশোধে ব্যয় করা হয়েছে, বাকি প্রায় সবটুকু টাকাই ওই দুই জনপ্রতিনিধি আত্মসাৎ করেছেন। বর্তমানে প্রকল্পটি নিয়ে স্থানীয় মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও প্রকল্প চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দাবি, নিয়ম মেনেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে অনিয়মের সত্যতা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে এগোলো টার্কিশ পেট্রোলিয়াম, দরপত্র কিনেছে ৫ বিদেশি সংস্থাও

কেশবপুরে খাল খননে অর্থ আত্মসাৎ: তদন্তের দাবি

আপডেট সময় : ১০:০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ব্যাসডাঙ্গা খাল খনন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত ৭৭ লাখ ২১ হাজার ১১ টাকা থেকে সিংহভাগ অর্থই প্রকল্প চেয়ারম্যান ও ইউপি চেয়ারম্যানের যোগসাজশে লোপাটের অভিযোগ করেছেন খোদ প্রকল্প কমিটির সদস্যরা। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির আওতায় এই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটির দায়িত্বে ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেত্রী ও ইউপি মেম্বর নাজমা খাতুন। নিয়ম অনুযায়ী গত মে মাসের শেষ থেকে জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা থাকলেও, প্রকল্প চেয়ারম্যান এবং স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দীন আলা নামমাত্র কাজ করেই বিশাল অংকের টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

কমিটির সদস্যদের দাবি, উত্তোলিত অর্থের একটি ক্ষুদ্র অংশ শ্রমিক ও ভেকু চালকদের বিল পরিশোধে ব্যয় করা হয়েছে, বাকি প্রায় সবটুকু টাকাই ওই দুই জনপ্রতিনিধি আত্মসাৎ করেছেন। বর্তমানে প্রকল্পটি নিয়ে স্থানীয় মহলে ব্যাপক ক্ষোভ ও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। যদিও প্রকল্প চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার দাবি, নিয়ম মেনেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে অনিয়মের সত্যতা উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।