মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

শ্রীমঙ্গলে বইপড়া উৎসব ২০২৬: শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়তে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীল ও মননশীল পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। ‘বই পড়ি, মন গড়ি’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত ‘শ্রীমঙ্গল বইপড়া উৎসব-২০২৬’ উপলক্ষে প্রশাসনের কর্মকর্তারা সরাসরি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করছেন। মঙ্গলবার উৎসবের প্রথম ধাপ ‘মুকুল পর্ব’ উপলক্ষে উপজেলার পাঁচটি প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ উদ্বুদ্ধকরণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমান নির্বাচিত সরকারের শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান বিভিন্ন স্কুল ও মাদরাসা পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান চর্চার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ বৃদ্ধিতে বই পড়ার অভ্যাসকে একটি আনন্দময় অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করাই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য।

এই মহতী উদ্যোগে উপজেলার মাধ্যমিক ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের ৩৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। উৎসবের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ১৪টি বই পড়ছে এবং আগামী ১৭ আগস্ট এগুলোর ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মেধার ভিত্তিতে বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা স্থানীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের মদতে ভূমি দখলের অভিযোগ, রামগড়ে সেনাক্যাম্প স্থাপনের দাবি

শ্রীমঙ্গলে বইপড়া উৎসব ২০২৬: শিক্ষার্থীদের পাঠাভ্যাস গড়তে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:২৯:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৃজনশীল ও মননশীল পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। ‘বই পড়ি, মন গড়ি’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত ‘শ্রীমঙ্গল বইপড়া উৎসব-২০২৬’ উপলক্ষে প্রশাসনের কর্মকর্তারা সরাসরি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করছেন। মঙ্গলবার উৎসবের প্রথম ধাপ ‘মুকুল পর্ব’ উপলক্ষে উপজেলার পাঁচটি প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ উদ্বুদ্ধকরণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমান নির্বাচিত সরকারের শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসক মো. জিয়াউর রহমান বিভিন্ন স্কুল ও মাদরাসা পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি বলেন, আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস ও বিজ্ঞান চর্চার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি ও মানবিক মূল্যবোধ বৃদ্ধিতে বই পড়ার অভ্যাসকে একটি আনন্দময় অভিজ্ঞতায় রূপান্তর করাই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য।

এই মহতী উদ্যোগে উপজেলার মাধ্যমিক ও তদূর্ধ্ব পর্যায়ের ৩৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। উৎসবের নিয়ম অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ১৪টি বই পড়ছে এবং আগামী ১৭ আগস্ট এগুলোর ওপর ভিত্তি করে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। মেধার ভিত্তিতে বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা স্থানীয় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।