ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। যুদ্ধটি ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ট্রাম্পের নিজ দেশেই। সাম্প্রতিক জনমত জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের সবচেয়ে দৃঢ় সমর্থক হিসেবে পরিচিত ম্যাগা সমর্থকদের মধ্যেও তার প্রতি সমর্থন কমছে। তাদের অনেকেই এখন মনে করছেন, এই যুদ্ধের জন্য যে মূল্য দিতে হচ্ছে, তা সার্থক নয় এবং যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়া উচিত।
এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই সংকটের একটি সমাধান খুঁজছিলেন। তিনি এখন দাবি করছেন, হয়তো সেই সমাধানের পথ তিনি খুঁজে পেয়েছেন। তবে এর আগেও এমন আশাবাদের কথা শোনা গেছে। এদিকে কংগ্রেসেও প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে কিছু রিপাবলিকান সিনেটর অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে সিনেটে একটি ওয়ার পাওয়ারস রেজল্যুশন পাস হয়, যাতে ট্রাম্পকে সামরিক অভিযান বন্ধ করা অথবা কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। যদিও ওই প্রস্তাবের কোনো বাধ্যতামূলক আইনগত কার্যকারিতা নেই। এরপর সংশ্লিষ্ট আরও দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হলেও প্রেসিডেন্ট-বিরোধী রিপাবলিকানদের পুনরায় একত্রিত করা সম্ভব হয়নি। ফলে উদ্যোগটি ব্যর্থ হয়েছে।
এদিকে আর মাত্র তিন মাস পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন। ফলে ট্রাম্পকে রাজনৈতিক চাপ আরো বেশি মোকাবিলা করতে হতে পারে। সাধারণভাবে একজন প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা তার দলের মিডটার্ম নির্বাচনের ফলাফলের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। আর বর্তমান জনমত জরিপ ট্রাম্পের জন্য মোটেও আশাব্যঞ্জক নয়। জরিপ অনুযায়ী, এখন মাত্র প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মার্কিন নাগরিক তার প্রতি সমর্থন বজায় রেখেছেন।
রিপোর্টারের নাম 



















