দেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফবিসিসিআই) প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সাবেক সভাপতি মো. ফজলুল হক। বিকেএমইএর নেতৃত্বে থাকাকালে দেশের তৈরি পোশাকশিল্প, বিশেষ করে নিটওয়্যার খাতের বৈশ্বিক ভাবমূর্তি ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। দেশের রপ্তানি বাণিজ্য, শিল্পনীতি ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নেও দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এই উদ্যোক্তা। এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসকের দায়িত্ব ও পোশাকশিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, রপ্তানি সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ‘আমার দেশ’-এর সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।
এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে ফজলুল হক বলেন, ‘১২০ দিনের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে এফবিসিসিআইয়ের ব্যবসায়ী নেতৃত্ব ফিরিয়ে আনতে সরকার যে দায়িত্ব দিয়েছে, তা যথাযথভাবে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে ফেডারেশনের সদস্য, ব্যবসায়ী সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’
বিকেএমইএর সভাপতি থাকাকালীন সময়ের সঙ্গে বর্তমান পোশাক খাতের পার্থক্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রায় ১৬ বছর আগে দায়িত্ব ছাড়ার সময় দেশের মোট পোশাক রপ্তানি ছিল ১১ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলার, এখন তা কয়েকগুণ বেড়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে নিটওয়্যার খাতে। শক্তিশালী ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজের কারণে অধিকাংশ ফেব্রিক দেশে তৈরি হয়। ফলে মান নিয়ন্ত্রণ সহজ এবং ওভেনের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ দিন পর্যন্ত লিড টাইম সাশ্রয় করা সম্ভব। তবে রানা প্লাজার পর কমপ্লায়েন্স, নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশের মান উন্নত হওয়ায় উদ্যোক্তাদের ব্যয়ও বেড়েছে।’
বর্তমানে পোশাকশিল্পের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে ফজলুল হক এটিকে শুধু সংকট নয়, বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক বাজারে চাহিদা কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয়ও বাড়ছে। উন্নত দেশের ভোক্তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পোশাকের চাহিদা কমছে। দেশের ভেতরে ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, উচ্চ সুদ, ডলার সংকট ও জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা রয়েছে। আন্তর্জাতিক’
রিপোর্টারের নাম 




















