ঢাকা ০৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬

ইরান ইস্যুতে বিভক্ত ট্রাম্পের মিত্ররা, যুদ্ধের পথ খুঁজছেন প্রেসিডেন্ট

নানামুখী চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছেন বলে জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্রদের কাছ থেকে পরস্পরবিরোধী বার্তা পাওয়ায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে চাপ অব্যাহত রাখা এবং আরও সামরিক বিকল্প বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছেন। অন্যদিকে সৌদি আরব উত্তেজনা হ্রাস এবং সংঘাত অবসানের ওপর জোর দিচ্ছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের এক অঘোষিত ওয়াশিংটন সফরে তিনি দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বার্তা ট্রাম্প ও জে.ডি. ভ্যান্সের কাছে পৌঁছে দেন। ওই বার্তায় রিয়াদ জানায়, তারা ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কমাতে চায় এবং সংঘাত অব্যাহত থাকলে তা গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করে।

এই বৈঠকটি ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর হোয়াইট হাউসে সাক্ষাতের একদিন পর অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সফলতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং তেহরানের বিরুদ্ধে চাপ আরো বাড়ানোর সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

সিএনএনের মতে, এই ধারাবাহিক বৈঠকগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের মধ্যে ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে মতপার্থক্য স্পষ্ট করেছে এবং ট্রাম্পকে এমন এক পরিস্থিতিতে ফেলেছে, যেখানে তিনি সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন।

এদিকে ট্রাম্প এখনও একটি সম্ভাব্য সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করে চলেছেন। তবে নেতানিয়াহু এবং সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক বৈঠকগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ট্রাম্প বর্তমানে দুটি ভিন্ন পথের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কঠিন সংকটের মুখোমুখি – একদিকে সামরিক চাপ আরও বাড়ানো, অন্যদিকে উত্তেজনা কমানোর পথে অগ্রসর হওয়া।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে জমি বিরোধে বিএনপি নেতা খুন: মূল অভিযুক্ত আ.লীগ নেতা ও তার ছেলে

ইরান ইস্যুতে বিভক্ত ট্রাম্পের মিত্ররা, যুদ্ধের পথ খুঁজছেন প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় : ০৫:৩০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

নানামুখী চাপের মুখে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছেন বলে জানা গেছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্রদের কাছ থেকে পরস্পরবিরোধী বার্তা পাওয়ায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইরানের বিরুদ্ধে চাপ অব্যাহত রাখা এবং আরও সামরিক বিকল্প বিবেচনার আহ্বান জানাচ্ছেন। অন্যদিকে সৌদি আরব উত্তেজনা হ্রাস এবং সংঘাত অবসানের ওপর জোর দিচ্ছে।

সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের এক অঘোষিত ওয়াশিংটন সফরে তিনি দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বার্তা ট্রাম্প ও জে.ডি. ভ্যান্সের কাছে পৌঁছে দেন। ওই বার্তায় রিয়াদ জানায়, তারা ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কমাতে চায় এবং সংঘাত অব্যাহত থাকলে তা গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করে।

এই বৈঠকটি ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর হোয়াইট হাউসে সাক্ষাতের একদিন পর অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার সফলতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং তেহরানের বিরুদ্ধে চাপ আরো বাড়ানোর সম্ভাব্য উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

সিএনএনের মতে, এই ধারাবাহিক বৈঠকগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের মধ্যে ভবিষ্যৎ কৌশল নিয়ে মতপার্থক্য স্পষ্ট করেছে এবং ট্রাম্পকে এমন এক পরিস্থিতিতে ফেলেছে, যেখানে তিনি সংকট থেকে বেরিয়ে আসার পথ খুঁজছেন।

এদিকে ট্রাম্প এখনও একটি সম্ভাব্য সমঝোতায় পৌঁছানোর আশা প্রকাশ করে চলেছেন। তবে নেতানিয়াহু এবং সৌদি কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক বৈঠকগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ট্রাম্প বর্তমানে দুটি ভিন্ন পথের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণে কঠিন সংকটের মুখোমুখি – একদিকে সামরিক চাপ আরও বাড়ানো, অন্যদিকে উত্তেজনা কমানোর পথে অগ্রসর হওয়া।