শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, মেধার কোনো ভিসা লাগে না; মেধাবীরা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে যেতে পারে। তিনি ‘রিভার্স ব্রেইন ড্রেন’ বা মেধাবীদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, আমাদের দেশ থেকে অনেক মেধাবী বিদেশে গিয়ে আর ফিরে আসেননি। এই মানবসম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশকে গড়ে তুলতে হবে।
শনিবার (২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে) বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মানবসম্পদের কোনো অভাব নেই। উন্নত বিশ্বের অনেক দেশে জন্মহারের তুলনায় মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় জনসংখ্যা কমছে, অন্যদিকে বাংলাদেশে জনসংখ্যা বাড়ছে। এই বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সম্পৃক্ত করা গেলে বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ বছর শিক্ষা খাতে বরাদ্দ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ খাতে বাজেট আরও বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা আন্তর্জাতিক মানের এবং তাদের নেতৃত্বে এটি বিশ্বমানের প্রতিযোগিতামূলক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। অচিরেই কিউএস র্যাংকিংয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশাবাদী।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমানের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহ্দী আমিন (ভার্চুয়ালি), বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রীস আলী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















