ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

৬০০ গ্রাম ওজনে জন্ম নিয়ে জয়ী এক ‘ক্ষুদে যোদ্ধা’: ল্যাবএইডে সফল চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরল চারুমতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

অদম্য প্রাণশক্তি আর আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অসাধারণ সাফল্যে নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে শিশু চারুমতি। মাত্র ২৬ সপ্তাহের গর্ভকাল শেষ হওয়ার আগেই জন্ম নেওয়া এই শিশুর ওজন ছিল মাত্র ৬০০ গ্রাম। দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সময় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে নিবিড় বিশেষায়িত চিকিৎসা শেষে সুস্থ অবস্থায় বাবা-মায়ের কোলে ফিরেছে সে।

পাবনায় জন্ম নেওয়া যমজ সন্তানদের একজন চারুমতি। জন্মের পরপরই তার যমজ ভাই মারা যাওয়ায় পরিবারটি যখন শোকাচ্ছন্ন, তখন চারুমতির জীবনও ছিল চরম অনিশ্চয়তায়। পরে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি নিবেদিত দল তার সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার সময় চারুমতির ওজন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬০ গ্রাম। এই সাফল্য উদযাপনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক আবেগঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। চিকিৎসকরা একে নবজাতক চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। চারুমতির বাবা-মা চিকিৎসকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদগাঁওয়ে এক রাতে দুই বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি: দেড় কোটি টাকার মালামাল লুট

৬০০ গ্রাম ওজনে জন্ম নিয়ে জয়ী এক ‘ক্ষুদে যোদ্ধা’: ল্যাবএইডে সফল চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরল চারুমতি

আপডেট সময় : ০৩:৩৯:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

অদম্য প্রাণশক্তি আর আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের অসাধারণ সাফল্যে নতুন জীবন ফিরে পেয়েছে শিশু চারুমতি। মাত্র ২৬ সপ্তাহের গর্ভকাল শেষ হওয়ার আগেই জন্ম নেওয়া এই শিশুর ওজন ছিল মাত্র ৬০০ গ্রাম। দীর্ঘ দুই মাসেরও বেশি সময় ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে নিবিড় বিশেষায়িত চিকিৎসা শেষে সুস্থ অবস্থায় বাবা-মায়ের কোলে ফিরেছে সে।

পাবনায় জন্ম নেওয়া যমজ সন্তানদের একজন চারুমতি। জন্মের পরপরই তার যমজ ভাই মারা যাওয়ায় পরিবারটি যখন শোকাচ্ছন্ন, তখন চারুমতির জীবনও ছিল চরম অনিশ্চয়তায়। পরে তাকে ল্যাবএইড হাসপাতালের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি নিবেদিত দল তার সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।

হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার সময় চারুমতির ওজন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৬০ গ্রাম। এই সাফল্য উদযাপনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক আবেগঘন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। চিকিৎসকরা একে নবজাতক চিকিৎসার ক্ষেত্রে এক বড় মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন। চারুমতির বাবা-মা চিকিৎসকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন।