ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

গাজায় অব্যাহত ইসরায়েলি হামলায় আরও প্রাণহানি, নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়াল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজাজুড়ে বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে আরও বেশ কয়েকজনের মরদেহ এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিহতের মোট সংখ্যা এখন ৭৩ হাজার ৩৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার। গত ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ পিরিয়ডের মধ্যেও ইসরায়েলি হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত হামলা ও খাদ্য-ওষুধের সংকটে সাধারণ মানুষের জীবন এখন বিপন্ন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান সত্ত্বেও হামলা বন্ধ না হওয়ায় নিহতের মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৯৫০ কোটি টাকার এলএনজি কিনছে সরকার

গাজায় অব্যাহত ইসরায়েলি হামলায় আরও প্রাণহানি, নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়াল

আপডেট সময় : ০৪:৪৩:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় গাজাজুড়ে বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে আরও বেশ কয়েকজনের মরদেহ এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ব্যক্তিরাও রয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে নিহতের মোট সংখ্যা এখন ৭৩ হাজার ৩৪১ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার। গত ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া তথাকথিত ‘যুদ্ধবিরতি’ পিরিয়ডের মধ্যেও ইসরায়েলি হামলায় এক হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

অবরুদ্ধ গাজায় মানবিক পরিস্থিতি চরম অবনতির দিকে যাচ্ছে। প্রতিনিয়ত হামলা ও খাদ্য-ওষুধের সংকটে সাধারণ মানুষের জীবন এখন বিপন্ন। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আহ্বান সত্ত্বেও হামলা বন্ধ না হওয়ায় নিহতের মিছিল দীর্ঘতর হচ্ছে।