ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

সয়াবিন তেল, চিনি ও দুধেও মিলল ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক: জনস্বাস্থ্য চরম ঝুঁকিতে

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

দেশের মানুষের নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা সয়াবিন তেল, চিনি ও দুধে আশঙ্কাজনক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক বা অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন গবেষকরা। এর ফলে জনস্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং প্লাস্টিক মোড়কের কারণে এসব বিষাক্ত উপাদান সরাসরি মানুষের খাদ্যচক্রে মিশে যাচ্ছে।

গবেষকদের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কেবল সয়াবিন তেলের মাধ্যমেই বছরে গড়ে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা গ্রহণ করছেন। শিশুদের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। একজন শিশু বছরে গড়ে প্রায় ২৮ হাজারেরও বেশি প্লাস্টিক কণা খাবারের সাথে শরীরে প্রবেশ করাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, খোলা সয়াবিন তেলের তুলনায় বোতলজাত তেলেও প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি রয়েছে। একইভাবে প্যাকেটজাত ও কাঁচা—উভয় ধরনের দুধে এবং চিনিতে উদ্বেগজনক মাত্রায় এই ক্ষুদ্র কণা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে প্লাস্টিকের প্যাকেজিং এবং কারখানায় প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় ব্যবহৃত প্লাস্টিক সরঞ্জাম থেকে এই দূষণ ছড়াচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবেশে প্লাস্টিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় মাটি ও পানির মাধ্যমেও এই কণাগুলো খাদ্যচক্রে ঢুকে পড়ছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এখনই খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় প্লাস্টিকের বিকল্প চিন্তা করা এবং কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন এখনো আসেনি, জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করতে হবে’: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল

সয়াবিন তেল, চিনি ও দুধেও মিলল ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক: জনস্বাস্থ্য চরম ঝুঁকিতে

আপডেট সময় : ০২:২৪:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

দেশের মানুষের নিত্যদিনের খাদ্যতালিকায় থাকা সয়াবিন তেল, চিনি ও দুধে আশঙ্কাজনক মাত্রায় মাইক্রোপ্লাস্টিক বা অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত করেছেন গবেষকরা। এর ফলে জনস্বাস্থ্য নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং প্লাস্টিক মোড়কের কারণে এসব বিষাক্ত উপাদান সরাসরি মানুষের খাদ্যচক্রে মিশে যাচ্ছে।

গবেষকদের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কেবল সয়াবিন তেলের মাধ্যমেই বছরে গড়ে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা গ্রহণ করছেন। শিশুদের ক্ষেত্রে এই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। একজন শিশু বছরে গড়ে প্রায় ২৮ হাজারেরও বেশি প্লাস্টিক কণা খাবারের সাথে শরীরে প্রবেশ করাচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে মারাত্মক রোগের কারণ হতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, খোলা সয়াবিন তেলের তুলনায় বোতলজাত তেলেও প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি রয়েছে। একইভাবে প্যাকেটজাত ও কাঁচা—উভয় ধরনের দুধে এবং চিনিতে উদ্বেগজনক মাত্রায় এই ক্ষুদ্র কণা পাওয়া গেছে। বিশেষ করে প্লাস্টিকের প্যাকেজিং এবং কারখানায় প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় ব্যবহৃত প্লাস্টিক সরঞ্জাম থেকে এই দূষণ ছড়াচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিবেশে প্লাস্টিক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনা না হওয়ায় মাটি ও পানির মাধ্যমেও এই কণাগুলো খাদ্যচক্রে ঢুকে পড়ছে। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এখনই খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ প্রক্রিয়ায় প্লাস্টিকের বিকল্প চিন্তা করা এবং কঠোর তদারকি নিশ্চিত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।