সাতক্ষীরার দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী শারমিন আক্তারের মুখে হাসি ফুটিয়েছে সরকার। বিশেষ ব্যবস্থাপনায় তাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডে (ইডিসিএল) ‘কনিষ্ঠ কর্মকর্তা’ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ২ আগস্ট তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মস্থলে যোগদান করবেন।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন শারমিনের হাতে এই নিয়োগপত্র তুলে দেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।
জানা গেছে, গত ২৬ জুলাই সাতক্ষীরায় একটি হাসপাতাল পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে নিজের কর্মসংস্থানের জন্য আবেদন করেছিলেন শারমিন। উচ্চশিক্ষা শেষ করেও বেকার থাকা শারমিনের আকুতি শুনে মন্ত্রী তাকে দ্রুত চাকরির ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা শারমিন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী গ্রামের বাসিন্দা।
নিয়োগপত্র হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত শারমিন আক্তার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সরকারি এই উদ্যোগের ফলে এখন তিনি তার অসচ্ছল পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারবেন। বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধীদের অধিকার রক্ষায় যে আন্তরিক, এটি তারই প্রমাণ।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই মেধাবী অথচ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শারমিনের পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে এবং তার মেধার মূল্যায়নে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ছয় মাসের শিক্ষানবিশকাল শেষে তার চাকরি স্থায়ী হবে।
রিপোর্টারের নাম 























