ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

হবিগঞ্জে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে এনসিপি কর্মীকে মারধর ও হামলার অভিযোগ, মামলা দায়ের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

হবিগঞ্জ: জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টি (এনসিপি)The National Democratic Party (NDP) -এর নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার রাতে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে এই মামলা করেন জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জে একটি বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিতে মৌলভীবাজার থেকে এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল রওনা দেয়। পথে বাহুবল উপজেলার মুছাই এলাকায় তারা পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন। পরবর্তীতে রশিদপুর গ্যাসফিল্ড মোড় পেরিয়ে কামাইছড়া রাবার বাগান এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ, র‌্যাব ও ডিবির যৌথ ব্যারিকেডে তাদের গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়। এ সময় পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আমতলী সেতু এলাকায় একটি বালুবাহী ট্রাক ও একটি যাত্রীবাহী বাস আড়াআড়িভাবে দাঁড় করিয়ে সড়ক অবরোধ করা হয়।

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কেই অবস্থান নিয়ে তাদের কর্মসূচির পক্ষে প্রতিবাদ জানান। ফলে বিকেল ৫টা থেকে ওই সড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায় এবং সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এনসিপির নেতাদের হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার বিষয়ে রাজি করান। রাত পৌনে ৮টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ ও ডা. মাহমুদা মিতু পুলিশ সুপারের সাথে বাহুবলের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে যান। রাত ৯টার পর ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী অভিযোগ করেন, এনসিপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলমসহ দলের একাধিক নেতাকর্মীকে আহত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই হামলায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ব্রিফিং শেষে পুলিশের নিরাপত্তায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা বাহুবলের কামাইছড়া ত্যাগ করে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশে রওনা দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্প-নেতানিয়াহু বৈঠকের পরেই তেহরানের কৌশলগত পরিবর্তন, উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য

হবিগঞ্জে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে এনসিপি কর্মীকে মারধর ও হামলার অভিযোগ, মামলা দায়ের

আপডেট সময় : ১০:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

হবিগঞ্জ: জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টি (এনসিপি)The National Democratic Party (NDP) -এর নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বুধবার রাতে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে এই মামলা করেন জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তাহের।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে হবিগঞ্জে একটি বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দিতে মৌলভীবাজার থেকে এনসিপির একটি প্রতিনিধি দল রওনা দেয়। পথে বাহুবল উপজেলার মুছাই এলাকায় তারা পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন। পরবর্তীতে রশিদপুর গ্যাসফিল্ড মোড় পেরিয়ে কামাইছড়া রাবার বাগান এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ, র‌্যাব ও ডিবির যৌথ ব্যারিকেডে তাদের গাড়িবহর আটকে দেওয়া হয়। এ সময় পুরাতন ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আমতলী সেতু এলাকায় একটি বালুবাহী ট্রাক ও একটি যাত্রীবাহী বাস আড়াআড়িভাবে দাঁড় করিয়ে সড়ক অবরোধ করা হয়।

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা সড়কেই অবস্থান নিয়ে তাদের কর্মসূচির পক্ষে প্রতিবাদ জানান। ফলে বিকেল ৫টা থেকে ওই সড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ হয়ে যায় এবং সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এনসিপির নেতাদের হবিগঞ্জে প্রবেশ না করার বিষয়ে রাজি করান। রাত পৌনে ৮টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ ও ডা. মাহমুদা মিতু পুলিশ সুপারের সাথে বাহুবলের কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে যান। রাত ৯টার পর ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

পরে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারী অভিযোগ করেন, এনসিপির শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে হামলা চালিয়ে কেন্দ্রীয় নেতা সারজিস আলমসহ দলের একাধিক নেতাকর্মীকে আহত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এই হামলায় প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

ব্রিফিং শেষে পুলিশের নিরাপত্তায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা বাহুবলের কামাইছড়া ত্যাগ করে শ্রীমঙ্গলের উদ্দেশে রওনা দেন।