যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি অব্যাহত থাকা পর্যন্ত সামরিক প্রতিরোধ বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। জর্ডানে মার্কিন বাহিনীর একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করে বৃহস্পতিবার (বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে) এ অবস্থান স্পষ্ট করেছে তারা।
আইআরজিসি জানিয়েছে, তারা জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটি এবং একটি কমান্ড সেন্টার লক্ষ্য করে সফল সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। একই সঙ্গে তেহরানের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের হুমকির ভাষা ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাহিনীটি।
আইআরজিসির নৌবাহিনী জানিয়েছে, অনুমোদনহীন পথ ব্যবহার করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালির দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করায় তারা তিনটি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের যৌথ বিমান হামলায় আইআরজিসির অন্তত চারজন সদস্য নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এই সংঘাত চলমান আঞ্চলিক সংকটকে আরও জটিল করে তুলেছে।
হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিবাদ ঘনীভূত
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পাচ্ছে। এই প্রণালি নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে মূলত চারটি বিষয়ে বড় ধরনের বিতর্ক তৈরি হয়েছে:
ওমানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান
হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের রুট নিয়ে ওমানের দেওয়া প্রস্তাব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ভূ-কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই চোকপয়েন্ট বা নৌপথ দিয়ে চলাচলকারী যেকোনো জলযানের ওপর মাশুল (টোল) আরোপের কথা বিবেচনা করছে তেহরান।
মাইন অপসারণে একক কর্তৃত্ব
ইরান জোর দিয়ে বলেছে, প্রণালিতে মাইন অপসারণের কাজ কেবল তাদের মাধ্যমেই সম্পন্ন করতে হবে। ওমানের মাধ্যমে মাইন অপসারণ কাজ পরিচালনা করার প্রস্তাবও খারিজ করে দিয়েছে দেশটি।
ইউরোপীয় বাহিনীকে সরাসরি হুমকি
ইউরোপের কোনো দেশ যদি নিজেদের উদ্যোগে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ কার্যক্রম চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তাদের সামরিক বা বেসামরিক জলযানকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করে হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।
রিপোর্টারের নাম 






















