সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার দালাল চক্রের অপতৎপরতা স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। গত বুধবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
‘বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঘাটতি নিরসন: সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার উপযোগী সেবা নিশ্চিত করতে ব্যয় দক্ষতার একটি দ্রুত প্রতিষ্ঠানভিত্তিক মূল্যায়ন’ শীর্ষক যৌথ গবেষণাটি পরিচালনা করেছে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেন্ট রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) ও স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট। অনুষ্ঠানে পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন।
গবেষণায় দেশের আটটি প্রশাসনিক বিভাগের ২২টি সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়ন ও কার্যক্ষমতা মূল্যায়ন করা হয়। এতে দেখা যায়, ওই অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক বাজেট ব্যবহারের হার ছিল ৮৫ শতাংশ, যেখানে মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই হার ছিল মাত্র ৭৮ শতাংশ। ৯৪ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে অব্যয়িত অর্থ থাকলেও মাত্র ১১ শতাংশ এটিকে আর্থিক অব্যবস্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করেছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী টেন্ডার প্রক্রিয়ার অনিয়ম নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “পছন্দের ব্যক্তিকে কাজ পাইয়ে দিতে টেন্ডারে অবাস্তব শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়, যেমন পাঁচ বছরে ১০ হাজার কোটি টাকার লেনদেনের অভিজ্ঞতা। এটি মূলত প্রতিযোগিতা সীমিত করে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সুবিধা দেওয়ার কৌশল।” মন্ত্রী স্বাস্থ্য খাতে অপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা ও সরকারি অর্থের অপচয় রোধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 



















