ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

জবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা সংকট: চুরির ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিড়ম্বনা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসে একের পর এক চুরির ঘটনা, বিশেষ করে সাইকেল চুরির ঘটনা বাড়লেও কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, দিনের পর দিন একই ধরনের ঘটনা ঘটলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীর অভাব এবং নজরদারির ঘাটতির কারণে চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে চুরিসংক্রান্ত অভিযোগ জমা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে। সবশেষ গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে আইন বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আশিকের একটি সাইকেল চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে চোরের চেহারা শনাক্ত করা সম্ভব হলেও এখন পর্যন্ত সাইকেল উদ্ধার বা জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা যায়নি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আশিক জানান, ঘটনার পর তিনি প্রক্টর অফিসে যোগাযোগ করেন। তবে সেখান থেকে আশানুরূপ সহযোগিতা বা সমাধানের কোনো আশ্বাস পাননি। তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আমরা যারা ক্যাম্পাস থেকে একটু দূরে থাকি, তাদের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা সাইকেল। সেটিও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবে?’

শিক্ষার্থীরা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কয়েক দিন আগেও একই ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর সাইকেল ক্যাম্পাস থেকেই চুরি হয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সাইকেল, মোবাইল ফোন, ব্যাগসহ ব্যক্তিগত মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। তবে অধিকাংশ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও কার্যকর ফল পাননি বলে দাবি তাদের। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব ঘটনা চলে এলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্থায়ী কোনো সমাধান করতে পারেনি। চুরি ঠেকাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি কিংবা অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের আরো অভিযোগ, প্রক্টর অফিস শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না। প্রশাসনের অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ততা থাকলেও ক্যাম্পাস

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লটকন চাষে স্বপ্নপূরণ: নরসিংদীর আক্তার হোসেনের স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প

জবি ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা সংকট: চুরির ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিড়ম্বনা

আপডেট সময় : ০১:১৩:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ বিরাজ করছে। ক্যাম্পাসে একের পর এক চুরির ঘটনা, বিশেষ করে সাইকেল চুরির ঘটনা বাড়লেও কার্যকর প্রতিকার না পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীদের দাবি, দিনের পর দিন একই ধরনের ঘটনা ঘটলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধানে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতা, পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মীর অভাব এবং নজরদারির ঘাটতির কারণে চোরচক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে চুরিসংক্রান্ত অভিযোগ জমা হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় পরিস্থিতি আরো খারাপ হচ্ছে। সবশেষ গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে আইন বিভাগের ১৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আশিকের একটি সাইকেল চুরি হয়। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে চোরের চেহারা শনাক্ত করা সম্ভব হলেও এখন পর্যন্ত সাইকেল উদ্ধার বা জড়িত ব্যক্তিকে আটক করা যায়নি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আশিক জানান, ঘটনার পর তিনি প্রক্টর অফিসে যোগাযোগ করেন। তবে সেখান থেকে আশানুরূপ সহযোগিতা বা সমাধানের কোনো আশ্বাস পাননি। তার অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রশাসনের কাছে যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না। তিনি বলেন, ‘আমরা যারা ক্যাম্পাস থেকে একটু দূরে থাকি, তাদের যাতায়াতের অন্যতম ভরসা সাইকেল। সেটিও যদি নিরাপদ না থাকে, তাহলে শিক্ষার্থীরা কোথায় যাবে?’

শিক্ষার্থীরা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। কয়েক দিন আগেও একই ব্যাচের দুই শিক্ষার্থীর সাইকেল ক্যাম্পাস থেকেই চুরি হয়। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে সাইকেল, মোবাইল ফোন, ব্যাগসহ ব্যক্তিগত মালামাল চুরির অভিযোগ উঠেছে। তবে অধিকাংশ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও কার্যকর ফল পাননি বলে দাবি তাদের। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব ঘটনা চলে এলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন স্থায়ী কোনো সমাধান করতে পারেনি। চুরি ঠেকাতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ, নিয়মিত নজরদারি বৃদ্ধি কিংবা অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে প্রশাসনের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের আরো অভিযোগ, প্রক্টর অফিস শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না। প্রশাসনের অন্যান্য দাপ্তরিক কার্যক্রম নিয়ে ব্যস্ততা থাকলেও ক্যাম্পাস