সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের কারণে দেশের বেশিরভাগ এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, কিছু কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে। একই সঙ্গে উপকূলীয় অঞ্চলে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত বহাল রাখতে বলা হয়েছে।
আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের প্রায় সব বিভাগেই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর আশপাশের লঘুচাপটি আরও শক্তিশালী হয়ে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং উপকূলীয় এলাকায় বায়ুচাপের পার্থক্য বেড়েছে, যা দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করছে।
এই পরিস্থিতিতে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে থাকা সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, দেশের বিভিন্ন নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত প্রদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কারণ কিছু অঞ্চলে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দিনের তাপমাত্রা সামান্য পরিবর্তিত হলেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী কয়েক দিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 



















