ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত, স্বজনদের মাঝে মাতম

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউনে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। গত সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়নে এবং অন্যজনের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলেন—নারায়ণগঞ্জের ফাহিম (২৯), আপন আহমেদ (২৩), নুর মোহাম্মদ (৫৫), মো. ফয়সাল (২৬) ও মো. শাহিন (৩০)। এছাড়া মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার কালিন্দিপাড়া গ্রামের মো. রাজিক (৫৫) এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে দোকানে আগুন লাগার পর তারা ভেতরে আটকা পড়েন এবং দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর নিহতদের স্বজনদের মধ্যে শুরু হয়েছে চরম আহাজারি। জীবিকার তাগিদে সুদূর প্রবাসে গিয়ে এমন করুণ মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তাদের পরিবার। মরদেহগুলো দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন শোকাতুর স্বজনরা। দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় প্রশাসন অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কম দামে ইউরিয়া সার দিতে রাশিয়া আগ্রহী, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সম্ভাবনা

দক্ষিণ আফ্রিকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশি নিহত, স্বজনদের মাঝে মাতম

আপডেট সময় : ০৮:১০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউনে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়জন বাংলাদেশি নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। গত সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার আলীরটেক ও বক্তাবলী ইউনিয়নে এবং অন্যজনের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায়। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের পরিবার ও এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলেন—নারায়ণগঞ্জের ফাহিম (২৯), আপন আহমেদ (২৩), নুর মোহাম্মদ (৫৫), মো. ফয়সাল (২৬) ও মো. শাহিন (৩০)। এছাড়া মুন্সিগঞ্জের মিরকাদিম পৌরসভার কালিন্দিপাড়া গ্রামের মো. রাজিক (৫৫) এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে দোকানে আগুন লাগার পর তারা ভেতরে আটকা পড়েন এবং দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর নিহতদের স্বজনদের মধ্যে শুরু হয়েছে চরম আহাজারি। জীবিকার তাগিদে সুদূর প্রবাসে গিয়ে এমন করুণ মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তাদের পরিবার। মরদেহগুলো দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন শোকাতুর স্বজনরা। দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় প্রশাসন অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।