ঢাকা ১১:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

‘ছেলের গেঞ্জি নিয়ে এখনো ঘুমাই’, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ সাজিদের মায়ের আবেগঘন স্মৃতিচারণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী শহিদ একরামুল হক সাজিদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার মা। সন্তানের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি এখনো সাজিদের গেঞ্জি নিয়ে ঘুমাই। শহীদের মা হিসেবে এখানে এলেও আমি আসলে এক জ্যান্ত লাশের মতো বেঁচে আছি।”

মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তার হৃদয়স্পর্শী বক্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই নতুন বাংলাদেশ যেন কখনো আবার বৈষম্য ও স্বৈরাচারের কবলে না পড়ে। অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়কসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি বৈষম্যহীন দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে যুবদলের কমিটি বিলুপ্ত: ১৬ নেতার পদত্যাগ ও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ

‘ছেলের গেঞ্জি নিয়ে এখনো ঘুমাই’, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শহিদ সাজিদের মায়ের আবেগঘন স্মৃতিচারণ

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী শহিদ একরামুল হক সাজিদের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তার মা। সন্তানের স্মৃতি আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি এখনো সাজিদের গেঞ্জি নিয়ে ঘুমাই। শহীদের মা হিসেবে এখানে এলেও আমি আসলে এক জ্যান্ত লাশের মতো বেঁচে আছি।”

মঙ্গলবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তার হৃদয়স্পর্শী বক্তব্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই নতুন বাংলাদেশ যেন কখনো আবার বৈষম্য ও স্বৈরাচারের কবলে না পড়ে। অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়কসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা শহিদদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি বৈষম্যহীন দেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।