ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

চাপের মুখে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের পথে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

পশ্চিমবঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। আসাম ও বিহার সরকার ইতোমধ্যে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারও চাপের মুখে এই পথে হাঁটছে বলে রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে। সোমবারই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

গত শুক্রবার কলকাতার এসপ্ল্যানেডে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। এই ঘটনায় কলকাতার বিভিন্ন থানায় সাতটি মামলা দায়ের করা হয় এবং ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আরও ৭০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।

এদিকে দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষার্থীদের মুক্তি এবং এফআইআর প্রত্যাহার করা না হলে তারা পুনরায় দেশজুড়ে আন্দোলনে নামবে। আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তা দিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বলের পরামর্শে একটি বিশেষ ওয়েবসাইটও চালু করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জলপাইগুড়ির এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার দলীয় কর্মীদের তথাকথিত ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অন্যান্য রাজ্যে মামলা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও নমনীয় হতে বাধ্য হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন শিক্ষামন্ত্রী ধর্ষকদের রক্ষক: রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা

চাপের মুখে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের পথে পশ্চিমবঙ্গ সরকার

আপডেট সময় : ০৭:০২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। আসাম ও বিহার সরকার ইতোমধ্যে একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারও চাপের মুখে এই পথে হাঁটছে বলে রাজ্য সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে। সোমবারই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

গত শুক্রবার কলকাতার এসপ্ল্যানেডে বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। আন্দোলনকারীরা কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। এই ঘটনায় কলকাতার বিভিন্ন থানায় সাতটি মামলা দায়ের করা হয় এবং ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজ দেখে আরও ৭০ জনকে শনাক্ত করেছে পুলিশ।

এদিকে দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে সিজেপি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষার্থীদের মুক্তি এবং এফআইআর প্রত্যাহার করা না হলে তারা পুনরায় দেশজুড়ে আন্দোলনে নামবে। আন্দোলনকারীদের আইনি সহায়তা দিতে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিব্বলের পরামর্শে একটি বিশেষ ওয়েবসাইটও চালু করা হয়েছে।

অন্যদিকে, জলপাইগুড়ির এক জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার দলীয় কর্মীদের তথাকথিত ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’ থেকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অন্যান্য রাজ্যে মামলা প্রত্যাহারের ঘোষণার পর প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারও নমনীয় হতে বাধ্য হচ্ছে।