ঢাকা ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রযুক্তিতে কার্গো বিমান ‘সিমোর্গ’ তৈরি করে বিশ্বকে চমকে দিল ইরান

আকাশপথে পণ্য পরিবহনে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি কার্গো বিমান ‘সিমোর্গ’ নিয়ে আসছে ইরান। বর্তমানে বিমানটি অপারেশনাল লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় সনদ অর্জনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল নাগাদ এটি বাণিজ্যিকভাবে ডানা মেলবে বলে আশা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্সির অ্যারোস্পেস বিভাগের সচিব শোকরি মেহর জানান, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও যন্ত্রাংশের সীমাবদ্ধতাকে জয় করে এই প্রকল্পটি সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সিমোর্গ বিমানটি মূলত ইরান-১৪০ প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা দেশটির বিমান উৎপাদন সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্গো ও এয়ার সাপোর্ট খাতে ইরানের এই অগ্রগতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে স্থানীয় জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি কাজ করছে। সফলভাবে সনদ অর্জন করলে এটি কেবল ইরানের অভ্যন্তরীণ কার্গো চাহিদাই মেটাবে না, বরং ভবিষ্যতে আরও উন্নত বিমান নকশা ও নির্মাণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট

নিজস্ব প্রযুক্তিতে কার্গো বিমান ‘সিমোর্গ’ তৈরি করে বিশ্বকে চমকে দিল ইরান

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

আকাশপথে পণ্য পরিবহনে স্বয়ংস্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি কার্গো বিমান ‘সিমোর্গ’ নিয়ে আসছে ইরান। বর্তমানে বিমানটি অপারেশনাল লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় সনদ অর্জনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল নাগাদ এটি বাণিজ্যিকভাবে ডানা মেলবে বলে আশা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

ইরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্সির অ্যারোস্পেস বিভাগের সচিব শোকরি মেহর জানান, দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও যন্ত্রাংশের সীমাবদ্ধতাকে জয় করে এই প্রকল্পটি সফলভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সিমোর্গ বিমানটি মূলত ইরান-১৪০ প্ল্যাটফর্মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা দেশটির বিমান উৎপাদন সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কার্গো ও এয়ার সাপোর্ট খাতে ইরানের এই অগ্রগতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে স্থানীয় জ্ঞানভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো সরাসরি কাজ করছে। সফলভাবে সনদ অর্জন করলে এটি কেবল ইরানের অভ্যন্তরীণ কার্গো চাহিদাই মেটাবে না, বরং ভবিষ্যতে আরও উন্নত বিমান নকশা ও নির্মাণের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।