ঢাকা ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

জুলাই আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অবিস্মরণীয়: নাহিদ ইসলাম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আন্দোলনের কঠিন সময়ে আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম যে, কখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিছিলটি আসবে। তাদের উপস্থিতি আন্দোলনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করত।

সোমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রশক্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হওয়া অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা জুলাইয়ের সকল শহীদ এবং যারা এই আন্দোলনে বিভিন্নভাবে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামনের সারিতে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তাদের অবদানের সঠিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশ গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানও সমভাবে স্মরণীয়। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন শিক্ষামন্ত্রী ধর্ষকদের রক্ষক: রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা

জুলাই আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা অবিস্মরণীয়: নাহিদ ইসলাম

আপডেট সময় : ০৭:০২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আন্দোলনের কঠিন সময়ে আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম যে, কখন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মিছিলটি আসবে। তাদের উপস্থিতি আন্দোলনে নতুন প্রাণের সঞ্চার করত।

সোমবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান: স্ফুলিঙ্গ থেকে চলমান বিপ্লব’ শীর্ষক এক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় ছাত্রশক্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র হওয়া অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমরা জুলাইয়ের সকল শহীদ এবং যারা এই আন্দোলনে বিভিন্নভাবে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক সংগ্রামে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সামনের সারিতে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে তাদের অবদানের সঠিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পেছনে তৎকালীন জগন্নাথ কলেজের ঐতিহাসিক ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, দেশ গঠনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানও সমভাবে স্মরণীয়। রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন ও উন্নয়নে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।