ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে শিশু মাহফুজ হত্যা: ৯ বছর পর আসামির মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামের হালিশহরে সাত বছরের শিশু মাহফুজকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে দীর্ঘ ৯ বছর পর আসামি মো. আল আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিশাদুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আল আমিন কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার বাসিন্দা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ এবং পারিবারিক সন্দেহের জেরে প্রতিশোধ নিতে প্রতিবেশী শিশু মাহফুজকে গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন আল আমিন। হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা করার অপরাধে তাকে আরও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিহত মাহফুজ স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। ২০১৭ সালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ বিচারিক লড়াই শেষে ন্যায়বিচার পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কঠোর নিরাপত্তায় কারাগারে পাঠানো হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালত প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা: আওয়ামী লীগের ৪ কর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

চট্টগ্রামে শিশু মাহফুজ হত্যা: ৯ বছর পর আসামির মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের হালিশহরে সাত বছরের শিশু মাহফুজকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে দীর্ঘ ৯ বছর পর আসামি মো. আল আমিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিশাদুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত আল আমিন কিশোরগঞ্জ জেলার নিকলী থানার বাসিন্দা।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ এবং পারিবারিক সন্দেহের জেরে প্রতিশোধ নিতে প্রতিবেশী শিশু মাহফুজকে গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করেন আল আমিন। হত্যার পর লাশ গুমের চেষ্টা করার অপরাধে তাকে আরও সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নিহত মাহফুজ স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মামলার বিচার প্রক্রিয়ায় ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন। ২০১৭ সালে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই দীর্ঘ বিচারিক লড়াই শেষে ন্যায়বিচার পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কঠোর নিরাপত্তায় কারাগারে পাঠানো হয়।