ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

লাইসেন্স ফিরে পেয়ে পুরোদমে চিকিৎসাসেবা শুরু করল মগবাজার আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

দীর্ঘ দেড় মাস বন্ধ থাকার পর রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুনরায় তাদের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে লাইসেন্স পুনর্বহালের অনুমতি পাওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাসপাতালটিতে রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। হাসপাতালটি চালু হওয়ায় বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-আয়ের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনেই বিকেল ৪টা পর্যন্ত বহির্বিভাগে ৬০৭ জন রোগী সেবা নিয়েছেন। এছাড়া নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ জন। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন প্রসূতি মায়ের স্বাভাবিক ও সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। সেবার মান এবং স্বল্প খরচের কারণে এই হাসপাতালটি সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

হাসপাতালের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিদেশি ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও। নেপাল থেকে আসা এক ইন্টার্ন চিকিৎসক জানান, লাইসেন্স জটিলতায় তাদের শিক্ষা ও পেশাগত জীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। এখন হাসপাতাল চালু হওয়ায় তারা পুনরায় রোগীদের সেবা দেওয়ার মাধ্যমে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাচ্ছেন। সাধারণ রোগীরাও হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের আন্তরিকতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কওমি মাদরাসার ভাবমূর্তি ও মর্যাদা রক্ষায় শায়খ আহমাদুল্লাহর ৬ দফা প্রস্তাব

লাইসেন্স ফিরে পেয়ে পুরোদমে চিকিৎসাসেবা শুরু করল মগবাজার আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

আপডেট সময় : ০৭:০০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ দেড় মাস বন্ধ থাকার পর রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুনরায় তাদের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে লাইসেন্স পুনর্বহালের অনুমতি পাওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই হাসপাতালটিতে রোগীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। হাসপাতালটি চালু হওয়ায় বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-আয়ের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনেই বিকেল ৪টা পর্যন্ত বহির্বিভাগে ৬০৭ জন রোগী সেবা নিয়েছেন। এছাড়া নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৫৬ জন। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন প্রসূতি মায়ের স্বাভাবিক ও সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তান প্রসব সম্পন্ন হয়েছে। সেবার মান এবং স্বল্প খরচের কারণে এই হাসপাতালটি সাধারণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

হাসপাতালের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন বিদেশি ইন্টার্ন চিকিৎসকরাও। নেপাল থেকে আসা এক ইন্টার্ন চিকিৎসক জানান, লাইসেন্স জটিলতায় তাদের শিক্ষা ও পেশাগত জীবন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছিল। এখন হাসপাতাল চালু হওয়ায় তারা পুনরায় রোগীদের সেবা দেওয়ার মাধ্যমে হাতে-কলমে শেখার সুযোগ পাচ্ছেন। সাধারণ রোগীরাও হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের আন্তরিকতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।