ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ভৈরবে বাজারের নামকরণ নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ২ জনের মৃত্যু, অর্ধশতাধিক বাড়িতে লুটপাট ও আগুন

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার পর আকবরনগর গ্রামে ব্যাপক লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রতিপক্ষের লোকজন জনশূন্য বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি ঘর জ্বালিয়ে দেয় এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের মধ্যবর্তী একটি বাসস্ট্যান্ড বাজারের নাম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধ মেটাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের উদ্যোগে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হলেও সোমবার সকালে তা চরম সহিংসতায় রূপ নেয়। সংঘর্ষে মিরারচর গ্রামের মাসুদ মিয়া ও হিরণ মিয়া নিহত হন। ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়া গ্রামটিতে মঙ্গলবার নতুন করে হামলা ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সংঘর্ষের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক ও রেলপথে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, যা সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং অপরাধীদের শনাক্তে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ দফা দাবিতে বুধবার থেকে সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট

ভৈরবে বাজারের নামকরণ নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: ২ জনের মৃত্যু, অর্ধশতাধিক বাড়িতে লুটপাট ও আগুন

আপডেট সময় : ০৫:৫২:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে একটি বাজারের নামকরণকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে দুইজন নিহত হওয়ার পর আকবরনগর গ্রামে ব্যাপক লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে প্রতিপক্ষের লোকজন জনশূন্য বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে অন্তত ৫০ থেকে ৬০টি ঘর জ্বালিয়ে দেয় এবং মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আকবরনগর ও মিরারচর গ্রামের মধ্যবর্তী একটি বাসস্ট্যান্ড বাজারের নাম নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধ মেটাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের উদ্যোগে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হলেও সোমবার সকালে তা চরম সহিংসতায় রূপ নেয়। সংঘর্ষে মিরারচর গ্রামের মাসুদ মিয়া ও হিরণ মিয়া নিহত হন। ঘটনার পর থেকে গ্রেফতার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়া গ্রামটিতে মঙ্গলবার নতুন করে হামলা ও অগ্নিসংযোগ চালানো হয়।

ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস জানিয়েছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। সংঘর্ষের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়ক ও রেলপথে দীর্ঘ সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল, যা সাধারণ যাত্রীদের চরম ভোগান্তিতে ফেলে। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং অপরাধীদের শনাক্তে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।