ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

রেলের ইঞ্জিন সংকট নিরসনে ৮ দফা দাবি বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির

বাংলাদেশ রেলওয়ের চলমান ইঞ্জিন সংকট দূর করতে এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে ৮ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি (বিআরপিএস)। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে রেলওয়েতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিআরপিএস সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির জানান, বর্তমানে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে ইঞ্জিন সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন ২৬৮টি ইঞ্জিনের প্রয়োজন থাকলেও সচল পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৮০টি। এই সংকটের কারণে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন রুটে ৬৮টি ট্রেন বাতিল করতে হচ্ছে, যার ফলে রেলওয়ে বছরে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

তাদের উল্লেখযোগ্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— এডিবি’র অর্থায়নে ৩০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ কেনার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা, ৭০টি লোকোমোটিভ প্রকল্প বাতিলের কারণ তদন্ত করা এবং রেলওয়ের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করা। এছাড়া রেলওয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা মনে করেন, লোকোমোটিভ সংকট দূর হলে রেলওয়ের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি যাত্রী ভোগান্তি উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন শিক্ষামন্ত্রী ধর্ষকদের রক্ষক: রাহুল গান্ধীর তীব্র সমালোচনা

রেলের ইঞ্জিন সংকট নিরসনে ৮ দফা দাবি বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটির

আপডেট সময় : ০৭:০১:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ রেলওয়ের চলমান ইঞ্জিন সংকট দূর করতে এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে ৮ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে পোষ্য সোসাইটি (বিআরপিএস)। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, একটি কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহলের কারণে রেলওয়েতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিআরপিএস সভাপতি মো. মনিরুজ্জামান মনির জানান, বর্তমানে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে ইঞ্জিন সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন ২৬৮টি ইঞ্জিনের প্রয়োজন থাকলেও সচল পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১৮০টি। এই সংকটের কারণে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন রুটে ৬৮টি ট্রেন বাতিল করতে হচ্ছে, যার ফলে রেলওয়ে বছরে প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

তাদের উল্লেখযোগ্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— এডিবি’র অর্থায়নে ৩০টি মিটারগেজ লোকোমোটিভ কেনার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা, ৭০টি লোকোমোটিভ প্রকল্প বাতিলের কারণ তদন্ত করা এবং রেলওয়ের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করা। এছাড়া রেলওয়ের উন্নয়ন প্রকল্পে কোনো মহলের অযাচিত হস্তক্ষেপ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখারও দাবি জানানো হয়। সংগঠনের নেতারা মনে করেন, লোকোমোটিভ সংকট দূর হলে রেলওয়ের আয় বৃদ্ধির পাশাপাশি যাত্রী ভোগান্তি উল্লেখযোগ্য হারে কমবে।