ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

কুয়াকাটায় সাংবাদিকের ওপর হাতুড়ি দিয়ে হামলা: যুবদল ও শ্রমিকদল নেতা গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক কে এম বাচ্চুর ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শহিদ সিকদার এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি নাসির হাওলাদার। সোমবার রাতে কুয়াকাটা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং মঙ্গলবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সাংবাদিক বাচ্চুর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। হামলাকারীরা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তার মাথা ও দুই পা গুরুতর জখম করে। বর্তমানে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের দাবি, এলাকায় একটি শ্লীলতাহানির ঘটনা এবং স্থানীয় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ তৎপরতা শুরু করে। গ্রেপ্তারকৃতদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদালত প্রাঙ্গণে বিশৃঙ্খলা: আওয়ামী লীগের ৪ কর্মী ৩ দিনের রিমান্ডে

কুয়াকাটায় সাংবাদিকের ওপর হাতুড়ি দিয়ে হামলা: যুবদল ও শ্রমিকদল নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিক কে এম বাচ্চুর ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক শহিদ সিকদার এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ড শ্রমিকদলের সহ-সভাপতি নাসির হাওলাদার। সোমবার রাতে কুয়াকাটা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় এবং মঙ্গলবার তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সাংবাদিক বাচ্চুর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় একদল দুর্বৃত্ত। হামলাকারীরা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে তার মাথা ও দুই পা গুরুতর জখম করে। বর্তমানে তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। পরিবারের দাবি, এলাকায় একটি শ্লীলতাহানির ঘটনা এবং স্থানীয় বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়েরের পরপরই পুলিশ তৎপরতা শুরু করে। গ্রেপ্তারকৃতদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীর ওপর এমন ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার সৃষ্টি হয়েছে।