ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে বড় ধরনের রাজনৈতিক ও কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘদিনের সামরিক তৎপরতা কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না আনায় এখন ওয়াশিংটনকে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। সামরিক চাপ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক অবরোধ নাকি নতুন কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ—কোন পথে এগোবে যুক্তরাষ্ট্র, তা নিয়ে হোয়াইট হাউসে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।
সাম্প্রতিক সময়ে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনার খবর পাওয়া গেলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে তেহরান। এদিকে, টানা ১৩ দিন বিমান হামলার পর সাময়িকভাবে অভিযান স্থগিত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, যাতে আলোচনার পথ প্রশস্ত হয়। তবে মার্কিন প্রশাসন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা আবারও কঠোর সামরিক অভিযানে ফিরতে দ্বিধা করবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েন করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হতে পারে, কারণ এতে মার্কিন সেনাদের ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অবকাঠামোতে হামলা চালালে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়বে, যা তেহরানের নীতি পরিবর্তনে কতটা সহায়ক হবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ইরানের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের পরিকল্পনা থাকলেও এর প্রভাব পড়তে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। এই অস্থিরতার প্রভাব ইতোমধ্যে বিশ্ববাজারে পড়তে শুরু করেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন সংকট তৈরি করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























