ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের লাগাতার হামলার মুখে লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালীতেও ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে, যার ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম একলাফে দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছেছে। শিপিং সংক্রান্ত ডাটা সংস্থা কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার বাব আল-মানদেব প্রণালী দিয়ে মাত্র ১১টি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করেছে, যা বিগত কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
কেপলার জানিয়েছে, এসব জাহাজের মধ্যে সাতটি ছিল তেল ট্যাংকার। এর মধ্যে তিনটি লোহিত সাগরে প্রবেশ করে, যার দুটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে অপরিশোধিত তেল লোড করতে যাচ্ছিল এবং তৃতীয়টি রাশিয়ার সঙ্গে সংযুক্ত ছিল। লোহিত সাগর থেকে বেরিয়ে আসা চারটি জাহাজের মধ্যে হংকংয়ের পতাকাবাহী ‘নিউ এক্সপ্লোরার’ নামের একটি বিশালাকার ট্যাংকার চীনভিত্তিক নিংবো বন্দরের জন্য সৌদি ও আমিরাতের ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করছিল। এছাড়া চীনের উদ্দেশ্যে ১ লাখ ব্যারেল রুশ তেলবাহী একটি ট্যাংকার এবং পাকিস্তানের জন্য সৌদি আরবের ৭ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল তেলবাহী আরও একটি ট্যাংকার এ তালিকায় ছিল।
হংকংয়ের আরেকটি ভিএলসিসি ‘নিউ পার্ল’ সৌদি আরবের ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে বাব আল-মানদেব হয়ে পূর্ব চীনের ঝোউশান বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। হুতিদের নৌ-অবরোধ ঘোষণার পর নিরাপদ আশ্রয়ে বেরিয়ে আসা চীনা সুপারট্যাংকারগুলোর মধ্যে এটি চতুর্থ। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং হুতিদের অব্যাহত হুমকির কারণে জাহাজ চলাচলে এই বিঘ্ন বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























