ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

গ্যাস সংকট কাটতে আরও ১৫ দিন সময় লাগবে: জ্বালানি মন্ত্রী

দেশে চলমান তীব্র গ্যাস সংকট নিরসনে আরও অন্তত ১৫ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল মেরামতের কাজ চলায় বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

জ্বালানি পরিস্থিতির ওপর আয়োজিত এক বৈঠকে মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দৈনিক ৩৮০ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। একই সাথে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পিরোজপুরে মাদ্রাসায় পাঠদান বন্ধ রেখে ছাত্রশিবিরের কর্মসূচি, তদন্তের ঘোষণা

গ্যাস সংকট কাটতে আরও ১৫ দিন সময় লাগবে: জ্বালানি মন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:২৭:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

দেশে চলমান তীব্র গ্যাস সংকট নিরসনে আরও অন্তত ১৫ দিন সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ক্ষতিগ্রস্ত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল মেরামতের কাজ চলায় বর্তমানে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, কারিগরি ত্রুটির কারণে একটি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

জ্বালানি পরিস্থিতির ওপর আয়োজিত এক বৈঠকে মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে দৈনিক ৩৮০ কোটি ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে মাত্র ২৭০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে। আমদানিনির্ভর জ্বালানি খাতের ওপর চাপ কমাতে সরকার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিচ্ছে। একই সাথে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপের বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।