চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে জলকদর খালের ৮৯টি স্লুইসগেটই অচল হয়ে পড়েছে, যা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানি নিষ্কাশনে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। এর ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় জলকদর খালের দুই হাজার ৪০০ মিটার অংশ পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে খানখানাবাদ, বাহারছড়া ও সাধনপুর এলাকায় এই খননকাজ চলছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালের মাত্র আড়াই কিলোমিটার সংস্কারের উদ্যোগ প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত সামান্য।
স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে খালের অব্যবস্থাপনা ও অবৈধ দখলের কারণে এর বিভিন্ন অংশ সংকুচিত হয়ে পড়ার অভিযোগ করেছেন। তারা অবিলম্বে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে পুরো খালটি আধুনিকায়নের পাশাপাশি অচল ৮৯টি স্লুইসগেট দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বেশিরভাগ স্লুইসগেটই জরাজীর্ণ ও অকার্যকর অবস্থায় রয়েছে, যা বর্ষা মৌসুমে পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি করে জলাবদ্ধতা ও বন্যার কারণ হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী অনুপম পাল জানান, বাঁশখালীর অধিকাংশ স্লুইসগেটই মেয়াদোত্তীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এগুলো পর্যায়ক্রমে প্রতিস্থাপনের পাশাপাশি সময়ের চাহিদা অনুযায়ী স্লুইসগেটের সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো বন্ধ করার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য ৩৩টি স্লুইসগেট প্রতিস্থাপন, জলকদর খাল ও ছোট ছনুয়া খালের পুনঃখনন এবং কয়েকটি স্থানে বাঁধ পুনর্বিন্যাসের (রি-সেকশনিং) কাজ অন্তর্ভুক্ত করে একটি উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) প্রস্তুত করা হচ্ছে, যা অচিরেই জমা দেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























